যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ২ লাখ ২০ হাজার টন গম জি-টু-জি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতিতে আমদানি করা হচ্ছে। গত দুই লটের চেয়ে এবার কিছুটা বেড়ে প্রতি টনের দাম পড়ছে ৩১২ দশমিক ২৫ ডলার।
মঙ্গলবার অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালিভাবে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে অনুমোদিত প্রস্তাব নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, জি-টু-জি পদ্ধতিতে যুক্তরাষ্ট্র হুইট সমিতির অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান এগ্রোক্রপ ইন্টারন্যাশনাল থেকে এ গম কিনবে খাদ্য অধিদপ্তর। এক্ষেত্রে প্রতি টন গমের দাম ধরা হয়েছে ৩১২ দশমিক ২৫ ডলার। ২০ লাখ ২০ টন গম কিনতে ব্যয় হবে স্থানীয় মুদ্রায় ৮৪২ কোটি ৬ লাখ টাকা। গত অক্টোবর ও জুলাইয়ে একই প্রতিষ্ঠান থেকে একই পরিমাণ গম আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। তখন প্রতি টনের দাম ধরা হয়েছিল যথাক্রমে ৩০৮ এবং ৩০২ দশমিক ৭৫ ডলার।
বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা পাল্টা শুল্ক কমানোর দর কষাকষিতে সুবিধা পেতে গত জুলাইতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরকারিভাবে গম আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়। দেশটির গম রপ্তানিকারক সমিতি বা ইউএস হুইট সমিতির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে সরকার। এ স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঁচ বছর মেয়াদে প্রতিবছর ৭ লাখ টন করে গম আমদানি করবে। সরকার অন্যান্য দেশ থেকে যে দামে গম আমদানি করে আমেরিকা থেকে আনতে প্রতি টনে ২৫ থেকে ৩০ মার্কিন বাড়তি খরচ করতে হয়। গত ২৩ জুলাই সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে বেশি দামে বিষয়টি স্বীকারও করেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। একই সঙ্গে তিনি বলেন সার্বিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের গমের মান ভালো।
