খুলনায় আদালতের প্রধান ফটকের সামনে জোড়া খুনের ঘটনায় সোমবার পর্যন্ত মামলা হয়নি। কাউকে আটকও করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে পুলিশের দাবি, হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত করা গেছে। তাদের আটকের একাধিক স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
গত রোববার দুপুরে খুলনা মহানগর দায়রা জজ আদালতের সামনে ফজলে রাব্বি রাজন ও হাসিব হাওলাদার নামের দুই যুবককে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। তারা খুলনার আলোচিত সন্ত্রাসী শেখ পলাশের অনুসারী।
খুলনা সদর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে অপরাধীদের শনাক্তের প্রক্রিয়া চলছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে শনাক্ত করা গেছে। তাদের আটকে পুলিশ কাজ করছে। থানা পুলিশের সঙ্গে সঙ্গে সিআইডি ও পিবিআইও মাঠে রয়েছে।
ওসি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষ করতে দেরি হওয়ায় এখনও মামলা হয়নি। দাফন শেষ করে পরিবারের সদস্যরা থানায় এসে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
খুলনা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডে গ্রেনেড বাবু গ্রুপের ‘বি কোম্পানি’র সদস্যদের নাম এসেছে। আশপাশের ভিডিও ফুটেজ দেখে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। হত্যাকারীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটাতে বাইরে থেকে শহরে প্রবেশ করে। হত্যাকাণ্ডের পর তারা আবার বাইরে চলে গেছে।
তিনি জানান, শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবু ও পলাশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরেই উভয় গ্রুপের লোকজন হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। তার প্রতিশোধ নিতেই এ ঘটনা ঘটেছে। শিগগিরই জড়িতদের আটক করা হবে।
খুলনা মহানগর পুলিশের তথ্য বলছে, গত ১৬ মাসে খুলনায় ৪৮টি খুনের ঘটনা ঘটেছে।
