আত্মহত্যা, নাকি হত্যাকাণ্ড—ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ, আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার ৩। ফাইল ছবি
রাজধানীর পশ্চিম নাখালপাড়ার বাসা থেকে নাজিয়া আহমেদ (৫২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। তাঁর মৃত্যু আত্মহত্যা, নাকি হত্যাকাণ্ড—এ নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মামলার চার নম্বর আসামি নাজিয়ার আত্মীয় ঝুমকির সাবেক স্বামী মো. অটল এখনও গ্রেপ্তার হননি।
গত ৭ অক্টোবর নাখালপাড়ার বাসা থেকে নাজিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর আত্মীয় ইনাম আল সাদেক আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—দুই বোন শামীম আরা সুলতানা মিঠু ও ফাতেমা সুলতানা ঝুমকি এবং তাঁদের ভাগনে মো. ফয়সাল রেজা।
তদন্তে নাজিয়ার বাসা থেকে উদ্ধার করা একটি চিরকুটকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তেজগাঁও থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, চিরকুটে আত্মহত্যার কারণ হিসেবে কয়েকজনের নাম লিখে গেছেন নাজিয়া। যে বাড়িতে তিনি বসবাস করতেন, সেটির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে আত্মীয়দের সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল। তবে ভিসেরা, চিরকুট ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।
