সোমবার, ১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজউকে নকশা অনুমোদনে ৫–৬ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ, কাঠগড়ায় অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলাম

স্টাফ রিপোর্টার
অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ফাইল আটকে রেখে অর্থ আদায়, মোবাইল কোর্টে শিথিলতা ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি। দুদকে অভিযোগের প্রস্তুতি। ফাইল ছবি

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) জোন-৫/১ এলাকায় ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদন, ফাইল নিষ্পত্তি এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের দাবি, নকশা অনুমোদন ও দাপ্তরিক সেবা পেতে সাধারণ বাড়ির মালিকদের কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হচ্ছে। নির্ধারিত সরকারি ফি ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার বাইরে অর্থ লেনদেনের এসব অভিযোগ ঘিরে রাজউকের সংশ্লিষ্ট জোনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী বাড়ির মালিকের অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, জোনটিতে নকশা অনুমোদন থেকে শুরু করে ফাইল নিষ্পত্তি পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, বৈধ প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার পরও অতিরিক্ত অর্থের চাহিদা পূরণ না হলে অনেক ফাইল দীর্ঘদিন আটকে থাকে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা ছাড়া কোনো অনিয়মকে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত বলা যায় না।

নকশা অনুমোদনে ৫–৬ লাখ টাকা! বাড়ির মালিকদের ক্ষোভ

অভিযোগকারীদের বর্ণনা অনুযায়ী, রাজউকের জোন-৫/১ এলাকায় পাঁচ থেকে ছয়তলাবিশিষ্ট ছোট ও মাঝারি আবাসিক ভবনের নকশা (প্ল্যান অ্যাপ্রুভাল) অনুমোদনের জন্য ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ ঘুষ দাবি করা হয়। তাঁদের অভিযোগ, ভবন ছয়তলা হোক কিংবা ১০ থেকে ১২ তলা—নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে বিপুল অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে।

একজন ভুক্তভোগী বাড়ির মালিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি ফি, জমির মূল্য ও নির্মাণসামগ্রীর ব্যয় মেটানোর পর শুধু নকশা অনুমোদন করাতেই যদি অতিরিক্ত পাঁচ লাখ টাকা দিতে হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের পক্ষে বৈধভাবে বাড়ি নির্মাণ করা কতটা কঠিন, তা সহজেই অনুমেয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, এ ধরনের অর্থের চাহিদা শুধু ব্যক্তিগতভাবে বাড়ি নির্মাণ করতে ইচ্ছুক নাগরিকদের আর্থিক চাপই বাড়াচ্ছে না, বরং সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ ও স্বচ্ছতা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করছে। তবে কথিত অর্থ দাবির পক্ষে কোনো নথি, আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

‘ওপরের মহলেও ভাগ দিতে হয়’—অভিযোগে নতুন বিতর্ক

অভিযোগের সবচেয়ে আলোচিত অংশ হলো, ঘুষের পরিমাণ নিয়ে আপত্তি জানালে অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলাম নাকি বলেছেন, এই টাকা একা আমার পকেটে যায় না; পরিচালক থেকে শুরু করে ওপরের মহলের সবাইকে ভাগ দিতে হয়।

ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এমন বক্তব্যের অভিযোগ তোলা হলেও এর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বক্তব্যটি সত্য হলে তা শুধু একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক প্রক্রিয়ায় আরও কেউ জড়িত কি না, সে প্রশ্নও সামনে আসবে।

তবে যথাযথ যাচাই ছাড়া রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সমীচীন নয়। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য, নথিপত্র, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং অনুমোদন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছ তদন্ত জরুরি।

অবৈধ ভবনের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট: অভিযান, নাকি লোকদেখানো ব্যবস্থা?

অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত কিংবা অনুমোদনহীন বহুতল ভবনের বিরুদ্ধে রাজউকের মোবাইল কোর্ট পরিচালনা নিয়েও বৈষম্য ও শিথিলতার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনা করা হলেও ভবনের অবৈধ অংশ অপসারণ, ভবন সিলগালা কিংবা আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে বিদ্যুৎ বা গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা এবং সাময়িকভাবে মিটার খুলে নেওয়ার মতো পদক্ষেপেই কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকে।

অভিযোগকারীদের দাবি, এ ধরনের অভিযানের পর কিছু স্থাপনায় আবারও নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার ঘটনা ঘটছে। এতে অভিযানের কার্যকারিতা, পরবর্তী তদারকি এবং আইন বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ভবনের অনুমোদন পরিস্থিতি কী ছিল এবং অভিযান-পরবর্তী নির্দেশনা বাস্তবায়িত হয়েছে কি না, তা নথিপত্র যাচাই করে দেখা প্রয়োজন। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে ভবনের অবস্থান, অনুমোদিত নকশা, লঙ্ঘনের ধরন এবং প্রযোজ্য বিধান বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

ইমারত পরিদর্শকদের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ

মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনকারী ইমারত পরিদর্শকদের (বিল্ডিংস ইন্সপেক্টর) দাপ্তরিক কাজেও অযাচিত হস্তক্ষেপের অভিযোগ রয়েছে সাইদা ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, কোনো পরিদর্শক নিয়ম অনুযায়ী কোনো ভবনের বিরুদ্ধে নোটিশ প্রদান কিংবা আইনগত ব্যবস্থা নিতে চাইলে তাঁকে বলা হয়, “আমাকে না জানিয়ে কিছু করবেন না।

অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মালিকানাধীন কিছু ভবনের ক্ষেত্রে অভিযান পরিচালনা ও পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণে নমনীয়তা দেখানো হয়। যদিও এসব অভিযোগের পক্ষে সুনির্দিষ্ট দাপ্তরিক নির্দেশনা বা লিখিত প্রমাণ প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি, তবু অভিযোগগুলো রাজউকের মাঠপর্যায়ের তদারকি ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইমারত নির্মাণসংক্রান্ত আইন প্রয়োগে ব্যক্তির পরিচয় বা প্রভাব নয়, বরং অনুমোদিত নকশা, বিধিমালা ও প্রমাণের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। অভিযোগ সত্য হলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করা এবং দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।

অর্ধশতাধিক ফাইল আটকে থাকার অভিযোগ, বাড়ছে নাগরিক ভোগান্তি

নকশা অনুমোদন ও ফাইল নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সেবাগ্রহীতারা। সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলামের ব্যক্তিগত আইডিতে অর্ধশতাধিক অনুমোদনসংক্রান্ত ফাইল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রয়েছে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে প্রয়োজনীয় ফাইলের তুলনায় অল্পসংখ্যক ফাইলের নিষ্পত্তি হয়েছে। বিপুলসংখ্যক আবেদন দীর্ঘদিন ঝুলে থাকায় বাড়ির মালিক ও সংশ্লিষ্ট সেবাগ্রহীতাদের বারবার রাজউক কার্যালয়ে যেতে হচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, অতিরিক্ত অর্থের দাবি পূরণ না হলে কোনো কোনো ফাইলের অগ্রগতি থেমে থাকে।

তবে অর্ধশতাধিক ফাইল আটকে থাকার তথ্য, প্রতিটি আবেদনের নিষ্পত্তির সময়সীমা এবং বিলম্বের প্রকৃত কারণ সংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক রেকর্ড যাচাই করে নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কোনো ফাইল আইনগত জটিলতা, নথির ঘাটতি কিংবা বিধিমালার শর্ত পূরণ না হওয়ার কারণে আটকে থাকলে তার ব্যাখ্যা দেওয়ার দায়ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রয়েছে।

নাগরিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে আবেদন গ্রহণ, যাচাই, আপত্তি উত্থাপন ও নিষ্পত্তির প্রতিটি ধাপ স্বচ্ছ হওয়া জরুরি। ফাইলের বর্তমান অবস্থা ও বিলম্বের কারণ সেবাগ্রহীতাদের জানানো হলে অযথা হয়রানি কমানোর পাশাপাশি অনিয়মের অভিযোগও যাচাই করা সহজ হবে।

আইন কী বলে, জবাবদিহি কোথায়?

ইমারত নির্মাণ আইন, ১৯৫২ এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা, ২০০৮-এর আওতায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অনুমোদন, নকশা ও শর্তাবলি মেনে চলা বাধ্যতামূলক। অনুমোদিত নকশা বা আইনগত শর্ত লঙ্ঘন করে নির্মাণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে প্রতিটি ক্ষেত্রে কী ধরনের ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে, তা নির্ভর করে অপরাধের প্রকৃতি, প্রযোজ্য আইন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এখতিয়ারের ওপর।

অন্যদিকে, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় ঘুষ বা অবৈধ আর্থিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য দুর্নীতিবিরোধী আইন ও চাকরিবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে সাক্ষ্য, নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ।

কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাঁকে অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না। একইভাবে, অভিযোগ গুরুতর হলে তা উপেক্ষা করাও গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সুনির্দিষ্ট অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত এবং প্রয়োজনীয় জবাবদিহি নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অগ্রাধিকার।

বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন, প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত অথরাইজড অফিসার সাইদা ইসলাম সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলোর সরাসরি জবাব না দিয়ে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতি ও বিধিমালার প্রসঙ্গ তুলে ধরেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ এবং অভিযোগগুলোর বিষয়ে তাঁর নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা জরুরি। অভিযোগ অস্বীকার বা ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা হলে বিষয়টির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ও সচেতন মহলের পক্ষ থেকে এ ধরনের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। তাঁদের মতে, রাজউকের জোন-৫/১ এলাকায় নকশা অনুমোদনের ফাইল, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা আবেদন, মোবাইল কোর্টের নথি এবং অভিযোগসংশ্লিষ্ট দাপ্তরিক সিদ্ধান্তগুলো পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং রাজউকের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আইনসম্মত তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। তদন্তে প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন, সম্পদের তথ্য ও দাপ্তরিক নথিও যাচাই করা যেতে পারে।

রাজউকের মতো গুরুত্বপূর্ণ নগর উন্নয়ন সংস্থায় নকশা অনুমোদন ও আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব নয়, নাগরিক স্বার্থের সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত। অভিযোগগুলো সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি; আর অভিযোগের কোনো অংশ অসত্য প্রমাণিত হলে সেটিও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন।

সাধারণ মানুষের প্রশ্ন এখন একটাই—বৈধভাবে বাড়ি নির্মাণ করতে গিয়ে তাঁদের কি নির্ধারিত সরকারি ফি ও আইনানুগ প্রক্রিয়ার বাইরেও অতিরিক্ত অর্থের চাপের মুখে পড়তে হবে? নাকি নকশা অনুমোদন, ফাইল নিষ্পত্তি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করে নাগরিক সেবাকে দুর্নীতি ও হয়রানিমুক্ত করা হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে প্রয়োজন স্বচ্ছ তদন্ত, নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রকাশ এবং কার্যকর প্রশাসনিক জবাবদিহি।

অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত ভবন সহ বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী প্রতিবেদনে। চলবে………

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।