কুমিল্লার মুরাদনগরে ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাসেল মিয়া নামে একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে মুরাদনগর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের মোচাগড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।অভিযুক্ত রাসেল মিয়া ওই গ্রামের রবি মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে শিশুটিকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়ি থেকে বের করেন রাসেল। এরপর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে শিশুটিকে নির্যাতন করেন রাসেল। পরে শিশুটির চিৎকার থামাতে না পেরে একপর্যায়ে তার গলা টিপে ধরে হত্যা করেন। হত্যার পর হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাড়ির পাশেই পরিত্যক্ত একটি সেপটিক ট্যাংকে লাশ ফেলে দেন।
শিশুটি নিখোঁজের পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। এ সময় রাসেলও তাদের সঙ্গে শিশুটিকে খোঁজার ভান করেন এবং এলাকায় মাইকিং করার পরামর্শ দেন। তবে তার আচরণ সন্দেহজনক হলে স্থানীয়রা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
শিশুর দাদি ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, তাদের মধ্যে কোনো পারিবারিক বিরোধ ছিল না। নিখোঁজের প্রায় এক ঘণ্টা পর বাড়ির পাশের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে মুরাদনগর থানার ওসি মো. হাসান জামিল খাঁন বলেন, এ ঘটনায় মূল ঘাতককে আটক করা হয়েছে। লাশ সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
