টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের সময় ‘মিস ফায়ারে’ মাসুম মিয়া (১৯) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে অস্ত্র চালানো শেখার সময় এ ঘটনা ঘটে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ইমারজেন্সি সেন্টারে (ওসেকে) ভর্তি রয়েছেন।
মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাসেল আহমেদ জানান, পুলিশে যোগ দেওয়ার পর চার মাসের প্রশিক্ষণে ছিলেন মাসুম। আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি তার প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে আজ সকালে অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণের সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনার পর তাকে প্রথমে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় পরে হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, সোমবার সকালে প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের অস্ত্র চালানো শেখানো হচ্ছিল। এসময় অন্য এক প্রশিক্ষণার্থীর রাইফেলের গুলি ‘মিস ফায়ার’ হয়ে মাসুমের পিঠে বিদ্ধ হয়। গুলিটি তাঁর বুকের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। গুরুতর আহত হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তাঁর অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।
মাসুম সুনামগঞ্জ জেলার মধ্যনগর উপজেলার রংচী গ্রামের বকুল মিয়ার ছেলে। তিনি ২০২৫ সালে পুলিশে যোগ দেন। এর পর অক্টোবর মাসে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের জন্য আসেন।
এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলমসহ একাধিক কর্মকর্তার মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তারা রিসিভ করেননি।
