বাগেরহাট জেলায় আসন্ন নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ঋণখেলাপি ও তথ্যগত গরমিলের কারণে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে এই যাচাই-বাছাই হয়। এসময় জেলা পুলিশ সুপার হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনসার, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থী ও তাদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মনোনয়ন দাখিলকারী মোট ৩২ জন প্রার্থীর কাগজপত্র পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
জানা যায়, বাগেরহাট-১ (ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারি উপজেলা) আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। এর মধ্যে ভোটারদের স্বাক্ষরে গরমিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম মুশফিকুর রহমান, ঋণখেলাপি থাকায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুজিবুর রহমান শামীম ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম সরোয়ারের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া বাগেরহাট-২ (বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা) আসনে ডেমোক্রেটিক পার্টি-এলডিপির প্রার্থী মো. হাসান ইমাম লিটুর মনোনয়ন ঋণ খেলাপির দায়ে বাতিল করা হয়।
অপরদিকে বাগেরহাট-৪ (মোড়েলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা) আসনে ভোটারদের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী খাইরুজ্জামান শিপনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা গোলাম মো. বাতেন বলেন, বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসন থেকে মোট ৩২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় নির্বাচন কমিশনের আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। ঋণখেলাপি হওয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভোটারের তথ্যের গরমিল থাকায় পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাতিলকৃত মনোনয়নের প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে আপিল করতে পারবেন।
