সরস্বতীপুজো মানেই শুধু বাণীবন্দনা নয়—এ এক অনির্বচনীয় আবেগ, কৈশোরের উচ্ছ্বাস আর জীবনের প্রথম কিছু অনুভূতির নরম রোদ্দুর। সেই স্মৃতির পথ ধরেই শৈশব ও কিশোরীবেলায় ফিরে গেলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় তিন অভিনেত্রী—আরাত্রিকা মাইতি, তিয়াসা লেপচা ও অভীকা মালাকার।
সাম্প্রতিক কাজের সূত্রে কলকাতায় থাকলেও, তাঁদের বেড়ে ওঠা মহানগরের ব্যস্ততা ও কোলাহলের বাইরে। আরাত্রিকার শৈশব কেটেছে ঝাড়গ্রামের প্রকৃতিঘেরা পরিবেশে, তিয়াসা বড় হয়েছেন বনগাঁয়, আর অভীকার বেড়ে ওঠা উত্তরবঙ্গের শান্ত সবুজে। ফলে সরস্বতীপুজোর অভিজ্ঞতাও ছিল শহুরে চেনা ছকের বাইরে—আরও সহজ, আরও আন্তরিক।
স্কুলের পুজো ঘুরে দেখা, নতুন বন্ধু পাতানো, জীবনের প্রথম শাড়ি পরার উত্তেজনা, আর পুজোর প্রসাদে প্রথম ‘কুল’ খাওয়ার মুহূর্ত—এই সবই ছিল তাঁদের ছোটবেলায় আরাত্রিকা, তিয়াসা, অভীকাদের সরস্বতীপুজো কেমন ছিল? ছবি: সংগৃহীত।
সরস্বতীপুজোর অমূল্য অংশ। কারও কাছে ছিল শাড়ি পরার লাজুক আনন্দ, কারও কাছে আবার নিভৃতে জমে ওঠা প্রথম প্রেমের স্পর্শ।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জীবনের গতি বেড়েছে, ব্যস্ততা গ্রাস করেছে সেই ছুটির দিনগুলোকে। তবু বাণীবন্দনার দিনে স্মৃতির দরজা খুলে যায় আপনাতেই। আজ তাঁরা সকলেই টেলিভিশনের পরিচিত মুখ, আরাত্রিকা ও অভীকা ইতিমধ্যেই বড়পর্দাতেও পা রেখেছেন। তবুও সরস্বতীপুজো এলেই তাঁদের মন ফিরে যায় সেই স্কুলজীবনের সরল আনন্দে—যেখানে খ্যাতি ছিল না, ছিল শুধু উৎসব আর হৃদয়ের উচ্ছ্বাস।
