পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে খালাবাড়ি বেড়াতে এসে বখাটেদের মারধরের শিকার হয়ে মো. সায়মোন ইসলাম সিয়াম নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল বাসেত জুয়েল তালুকদার বাদী হয়ে মির্জাগঞ্জ থানা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
বুধবার সকালে পটুয়াখালী র্যাব-৮ এর সহযোগিতায় হত্যা মামলার প্রধান আসামি রাইয়ান (২০) ও দ্বিতীয় অভিযুক্ত মো. রাশেদকে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর ধোলাই পাড় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সায়মোন ইসলাম সিয়াম (১৮) পটুয়াখালী সদর থানার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ঘোপখালি গ্রামের আব্দুল বাসেত জুয়েল তালুকদারের ছেলে। তিনি ঢাকা রমিজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের এইচএসসি ১ম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
মঙ্গলবার বিকালে সুবিদখালী সরকারি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় বালুর মাঠে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সিয়াম মির্জাগঞ্জে খালার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। বিকালে খালাতো ভাই আব্দুল্লাহর সঙ্গে সুবিদখালী সরকারি কলেজ এলাকায় ঘুরতে যান। এ সময় কলেজসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা আ. সালামের ছেলে রাইয়ান ও একই এলাকায় বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম পিন্টুর ছেলে রাশেদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি ও তর্কবিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে রাইয়ান ও রাশেদসহ তিন থেকে চারজন তাদেরকে স্থানীয় একটি নির্জন বালুর মাঠে তুলে নিয়ে মারধর করে। এক পর্যায় তারা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বখাটেরা সিয়াম ও তার খালাতো ভাই আবদুল্লাকে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুস সালাম বলেন, বখাটেদের সঙ্গে তর্কে বিতর্কে মারধরের শিকার হয়ে সিয়াম নামে একজন নিহত হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতের পিতা তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামি রাইয়ান ও রাশেদকে পটুয়াখালী র্যাব-৮ এর সহযোগিতায় ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে।
