বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দরপত্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ, গণপূর্তের ফিরোজ হাসানকে ঘিরে তদন্তের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার
অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণের ব্যয়, বড় প্রকল্পের দরপত্র এবং পারিবারিক সম্পদের উৎস নিয়ে নতুন করে আলোচনা। ফাইল ছবি

গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফিরোজ হাসানকে ঘিরে বিভিন্ন অভিযোগ ও প্রশ্ন নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালন, বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ, বড় প্রকল্পের দরপত্র এবং উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রণয়নে কথিত প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের পাশাপাশি তাঁর ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদের উৎস যাচাইয়ের দাবিও উঠেছে।

বিশেষ করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায় এবং NDE নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথিত যোগসূত্র নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নগুলো নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জোরালো করেছে। অভিযোগকারীদের মতে, সরকারি প্রকল্পের পরিকল্পনা, দরপত্রের শর্ত নির্ধারণ, ঠিকাদার নির্বাচন ও অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়ে থাকলে তা নথিপত্রের ভিত্তিতে চিহ্নিত করা প্রয়োজন।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। সংশ্লিষ্ট কোনো তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল বা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার নির্ভরযোগ্য তথ্যও এই প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা না করে সংশ্লিষ্ট নথি, আর্থিক তথ্য, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে যাচাই করা জরুরি।

সরকারি দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, প্রশাসনিক ক্ষমতার ব্যবহার, প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া এবং বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য—এই চারটি বিষয়কে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে।

দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব, স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন

গণপূর্ত অধিদপ্তরে কাজী মো. ফিরোজ হাসানের দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি অনুসন্ধানে গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ ও হস্তান্তরের সময়কাল, পদোন্নতি, বদলি এবং প্রশাসনিক দায়িত্ব বণ্টনের প্রক্রিয়া পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

বিশেষ করে ক্রয়, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও দরপত্রসংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধিবিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। একই সঙ্গে দায়িত্ব বণ্টনে স্বচ্ছতা বজায় ছিল কি না এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলো যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে নেওয়া হয়েছিল কি না, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

সরকারি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন নিজে কোনো অনিয়মের প্রমাণ নয়। তবে দায়িত্বের ধারাবাহিকতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের মধ্যে কোনো স্বার্থের সংঘাত বা বিধিবহির্ভূত প্রভাব ছিল কি না, তা নথিপত্রের মাধ্যমে যাচাই করা হলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হতে পারে।

বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণ: ব্যয় ও অনুমোদনের হিসাব কোথায়?

কাজী মো. ফিরোজ হাসানের বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এসব সফরের অনুমোদন, মনোনয়ন, অর্থায়নের উৎস, সরকারি ব্যয়ের বিবরণ এবং সফর-পরবর্তী প্রতিবেদন যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণ সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং অভিজ্ঞতা অর্জনের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে। কিন্তু সফরগুলো সরকারি অর্থায়নে হয়ে থাকলে প্রতিটি ক্ষেত্রে অনুমোদিত উদ্দেশ্য, ব্যয়ের যৌক্তিকতা এবং অর্জিত অভিজ্ঞতা সরকারি কাজে কতটা প্রয়োগ হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা যেতে পারে।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সফরের আদেশ, অংশগ্রহণকারীদের মনোনয়ন, ব্যয়ের হিসাব, প্রশিক্ষণ প্রতিবেদন এবং সফর-পরবর্তী মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ নথি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। কোনো সফরে অনিয়ম হয়েছে কি না, তা নির্ধারণে অনুমান নয়, বরং এসব নথি ও বিধিবিধানের সঙ্গে বাস্তব কার্যক্রমের তুলনামূলক যাচাই প্রয়োজন।

বড় প্রকল্পের ডিপিপি ও দরপত্রে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

অনুসন্ধানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি হলো বড় প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) ও দরপত্রের শর্ত নির্ধারণে কথিত প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ। এ ক্ষেত্রে NDE নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথিত যোগসূত্র এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভ নির্মাণ প্রকল্পের তৃতীয় পর্যায় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি, দরপত্র বিজ্ঞপ্তি, কারিগরি ও আর্থিক যোগ্যতার শর্ত, দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির কার্যবিবরণী, কার্যাদেশ প্রদান এবং বিল পরিশোধের নথি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে দরপত্রের শর্ত কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে সুবিধা দেওয়ার মতো করে নির্ধারণ করা হয়েছিল কি না, মূল্যায়নের সময় সব দরদাতার ক্ষেত্রে সমান মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছিল কি না এবং কার্যাদেশ প্রদানের সিদ্ধান্ত বিধি অনুযায়ী নেওয়া হয়েছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে বের করা সম্ভব।

প্রকল্পের ব্যয় অনুমোদন, সংশোধিত ডিপিপি, কার্যাদেশের সময়কাল এবং পরবর্তী আর্থিক লেনদেনের মধ্যে কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা নিরীক্ষা প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যেতে পারে।

তবে কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পেশাগত যোগাযোগ, একই প্রকল্পে দায়িত্ব পালন কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ পাওয়া—এসব তথ্য এককভাবে অনিয়মের প্রমাণ নয়। নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে বেআইনিভাবে সুবিধা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা প্রতিষ্ঠার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া, নথি এবং যাচাইযোগ্য প্রমাণ প্রয়োজন।

কর্মকর্তা ও পরিবারের সম্পদের উৎস নিয়ে যাচাইয়ের দাবি

কাজী মো. ফিরোজ হাসান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সম্পদের উৎস ও বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য যাচাইয়ের বিষয়টিও জনস্বার্থে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে।

তবে তাঁর বা পরিবারের সদস্যদের নির্দিষ্ট সম্পদের পরিমাণ, মালিকানা কিংবা আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত নথি এই প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা যায়নি। তাই এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।

অভিযোগগুলোর গ্রহণযোগ্য ভিত্তি পাওয়া গেলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট আইনগত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁর বৈধ আয়, আয়কর রিটার্ন, সম্পদ বিবরণী, জমি ও ফ্ল্যাটের দলিল, গাড়ির মালিকানা এবং প্রাসঙ্গিক আর্থিক লেনদেন আইন অনুযায়ী যাচাই করা যেতে পারে।

পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো সম্পদ থাকলে তার প্রকৃত মালিকানা, ক্রয়ের অর্থের উৎস এবং সংশ্লিষ্ট লেনদেনের তথ্যও আইনসম্মত প্রক্রিয়ায় পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে পরিবারের সদস্যদের নামে সম্পদ থাকা নিজে কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়। সম্পদের উৎস, প্রকৃত মালিকানা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক সম্পর্কের প্রামাণ্য তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

দুদকসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

উত্থাপিত অভিযোগগুলোর গুরুত্ব বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি উঠেছে। সরকারি প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনা, দরপত্রের স্বচ্ছতা এবং কর্মকর্তাদের সম্পদের উৎস নিয়ে কোনো প্রশ্ন থাকলে তা যথাযথ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন।

তদন্তের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে—

১. সম্পদের উৎস যাচাই: কর্মকর্তা ও পরিবারের সদস্যদের সম্পদের মালিকানা, অর্থের উৎস এবং বৈধ আয়ের সঙ্গে সম্পদের সামঞ্জস্য পরীক্ষা।

২. আর্থিক নথি পর্যালোচনা: প্রাসঙ্গিক আয়কর নথি, সম্পদ বিবরণী ও আর্থিক লেনদেন আইন অনুযায়ী যাচাই।

৩. বিদেশ সফরের হিসাব: সফর ও প্রশিক্ষণের অনুমোদন, মনোনয়ন, অর্থায়ন, ব্যয়ের হিসাব এবং সফর-পরবর্তী প্রতিবেদন পরীক্ষা।

৪. দরপত্র ও কার্যাদেশ যাচাই: বড় প্রকল্পের ডিপিপি, দরপত্রের শর্ত, মূল্যায়ন, কার্যাদেশ ও বিল পরিশোধে বিধিবহির্ভূত কোনো সুবিধা দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিরীক্ষা।

৫. প্রশাসনিক ক্ষমতার ব্যবহার: সিদ্ধান্ত গ্রহণে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বার্থের সংঘাত কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ পর্যালোচনা।

৬. পূর্ববর্তী তদন্তের তথ্য: এ বিষয়ে আগে কোনো বিভাগীয় তদন্ত, নিরীক্ষা বা আইনগত কার্যক্রম হয়ে থাকলে তার প্রকৃত অবস্থা ও ফলাফল যাচাই।

তদন্তে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যেমন জরুরি, তেমনি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া না গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অবস্থানও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। এতে একদিকে জবাবদিহি নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের নীতি বজায় থাকবে।

বক্তব্য জানতে যোগাযোগ, সাড়া মেলেনি

উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে বক্তব্য জানতে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফিরোজ হাসানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পর্যন্ত তাঁর কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের দরপত্র প্রক্রিয়া, NDE নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কথিত যোগসূত্র এবং বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণের ব্যয়সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিস্তারিত ব্যাখ্যাও এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

কাজী মো. ফিরোজ হাসান বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। একইভাবে সরকারি নথি, নিরীক্ষা প্রতিবেদন কিংবা আনুষ্ঠানিক তদন্তের ফলাফল পাওয়া গেলে সেগুলো যাচাই করে প্রতিবেদন হালনাগাদ করা প্রয়োজন।

অভিযোগের নিষ্পত্তি হোক প্রমাণ ও নথির ভিত্তিতে

গণপূর্ত অধিদপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রকল্পের ব্যয়, দরপত্রের প্রতিযোগিতা, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহি জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। ফলে দায়িত্ব পালন, প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ও সম্পদের উৎস নিয়ে উত্থাপিত প্রশ্নগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি।

কাজী মো. ফিরোজ হাসানকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলোর ক্ষেত্রে অনুমান বা প্রচারণার পরিবর্তে প্রামাণ্য নথি, সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা প্রতিষ্ঠিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানো—দুই ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

জনস্বার্থে এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলোর দরপত্র ও ব্যয়ের নথিতে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায় কি না, বিদেশ সফর ও প্রশিক্ষণের ব্যয় যথাযথ বিধি মেনে হয়েছে কি না এবং সম্পদের উৎস যাচাইয়ের মতো কোনো আইনগত ভিত্তি রয়েছে কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর নিরপেক্ষ তদন্তেই স্পষ্ট হওয়া সম্ভব।

অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে নথিভিত্তিক তদন্ত, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এবং প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণই হওয়া উচিত পরবর্তী পদক্ষেপ।

এসব বিষয়ে আপডেট তথ্য নিয়ে বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী প্রতিবেদনে। চলবে……….

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।