সারজিস আলম ও মুহাম্মদ নওশাদ জমির
নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পঞ্চগড়-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী এনসিপি নেতা সারজিস আলম ও বিএনপির প্রার্থী দলটির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ নওশাদ জমিরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেছেন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান। শনিবার বিকেলে তিনি হেভিওয়েট এই দুই প্রার্থীকে এই কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। নোটিশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সারজিস আলমের বিষয়ে আচরণবিধি ভঙ্গের যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা হলো- ‘পঞ্চগড় সুগার মিল মাঠে ১০ দলীয় জোটের নির্বাচনী সভায় গেট ও তোরণ নির্মাণসহ ৩টি তোরণ নির্মাণ করা, দলের প্রধান ব্যতীত অন্য দলের প্রধানের ছবি দিয়ে ব্যানার বিলবোর্ড স্থাপন ও নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার ও ফেসবুক আইডি রিটার্নিং অফিসারের কাছে দাখিল না করেই প্রচারণা করা।’
বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ- ‘২৩ জানুয়ারি বিকেলে পঞ্চগড় পৌর এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনে পরিচালিত অভিযানে তার কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘন দেখতে পান দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। করতোয়া সেতুর দুপাশে, বিদ্যুতের খুঁটি-গাছে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে স্থাপন করা ফেস্টুন অপসারণকালে তার নেতাকর্মীদের বাধা ও অসৌজন্য আচরণ করা, নিয়ম না মেনে ৬ ফুট বাই ৩ ফুটের ফেস্টুন স্থাপন, নির্বাচনী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে উশৃঙ্খল আচরণ ও গভীর রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েত, উশৃঙ্খল আচরণ, গণভোটের প্রচারণা ব্যানার ছেড়ার হুমকি দেওয়া এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে ফেইসবুক আইডি দাখিল না করেই প্রচারণা চালানো হয়েছে।
এসব নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের জন্য তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যাসহ সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে জবাবে ব্যর্থ হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার কাজী মো. সায়েমুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, উভয় প্রার্থী আচরণবিধি লংঘন করেছেন। শোকোজের মাধ্যমে তাদের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব চেয়ে নোটিশ করা হয়েছে। তবে এ নিয়ে দুই প্রার্থীর কারও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
