আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে ৪ নং ওয়ার্ডজুড়ে বইতে শুরু করেছে আগাম নির্বাচনী হাওয়া। পাড়া-মহল্লা থেকে চায়ের আড্ডা—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রে একটি নাম—তরুণ, সাহসী ও জনবান্ধব নেতা মো. ইয়াছিন আলী। সবুজবাগ থানার এই পরিচিত সমাজসেবক ইতোমধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে ৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা একজন নিবেদিত মানুষ হিসেবে পরিচিত ইয়াছিন আলী। নির্বাচন সামনে রেখে তিনি ইতোমধ্যে ৪ নং ওয়ার্ডের অলিগলি, পাড়া-মহল্লা এবং সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেছেন। তার এই আন্তরিকতা, মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং উন্নয়নের অঙ্গীকার ইতোমধ্যে সাধারণ ভোটারদের মনে নতুন আশার আলো জাগিয়েছে।
এলাকার প্রবীণ বাসিন্দারা বলছেন, রাজনীতি শুধু ক্ষমতার জন্য নয়—মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। আর সেই ভাবনাকেই সামনে রেখে এগিয়ে চলেছেন মো. ইয়াছিন আলী। তিনি তার প্রচারণায় বারবার উচ্চারণ করছেন একটি স্বপ্ন—“মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত এবং ন্যায়ভিত্তিক একটি আদর্শ ওয়ার্ড।”
নিজের লক্ষ্য ও প্রত্যাশার কথা জানাতে গিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, আমি ৪ নং ওয়ার্ডের মানুষের নেতা হতে চাই না, আমি হতে চাই তাদের সেবক। যদি জনগণ আমাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে বিজয়ী করেন, তাহলে এই ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ডে রূপান্তর করব—যেখানে প্রতিটি মানুষ নিরাপদে থাকবে, ন্যায়বিচার পাবে এবং উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছাবে ঘরে ঘরে।
চলো একসাথে গড়ি বাংলাদেশ”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি এলাকার সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তরুণ, শিক্ষিত ও স্বচ্ছ ভাবমূর্তির এই প্রার্থীর অংশগ্রহণ ৪ নং ওয়ার্ডের নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে তার প্রতি ইতিবাচক সাড়া লক্ষ করা যাচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস—যোগ্য, সৎ ও পরোপকারী একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে তবেই বদলে যেতে পারে পুরো ওয়ার্ডের চিত্র। আর সেই পরিবর্তনের আশাতেই অনেকেই এখন তাকিয়ে আছেন মো. ইয়াছিন আলীর দিকে—একটি স্বপ্ন, একটি প্রত্যাশা এবং একটি সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে।
