বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বন বিভাগের ‘সুফল’ প্রকল্পে দুর্নীতির তথ্য-উপাত্ত পেয়েছে দুদক

স্টাফ রিপোর্টার
অক্টোবর ১৪, ২০২৬ ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ফাইল ছবি

টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে অনুসন্ধান কার্যক্রম এখনো চলছে। অনুসন্ধান শেষে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। এরপর কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

মঙ্গলবার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

দুদক জানায়, বন অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, বদলি ও পদোন্নতিসহ সার্বিক কার্যক্রমে নানা দুর্নীতির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বন ভবনে অভিযান চালায় দুদক। অভিযানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধানের এ পর্যায়ে অনিয়ম ও দুর্নীতিসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ও রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায়, বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি ও পদায়ন হওয়ার কথা বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বদলি-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০০৪ অনুযায়ী। এ ক্ষেত্রে বনভূমির পরিমাণ বিবেচনায় বনাঞ্চলের বিভিন্ন রেঞ্জ, স্টেশন ও বিভাগীয় বন বিভাগকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।

দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা পদে দুই বছরের জন্য পদায়নে ১৫ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১০ লাখ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ৫ লাখ টাকা নেওয়া হতো।

এ ছাড়া এক বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির চেকপোস্টে স্টেশন কর্মকর্তা পদে পদায়নে ২০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ১০ লাখ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ৫ লাখ টাকা নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

দুই বছরের জন্য প্রথম শ্রেণির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা পদে পদায়নে ৫০ লাখ টাকা, দ্বিতীয় শ্রেণিতে ৩০ লাখ টাকা এবং তৃতীয় শ্রেণিতে ২০ লাখ টাকা নেওয়া হতো বলেও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, স্টেশন কর্মকর্তা পদে এক বছর এবং রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বিভাগীয় বন কর্মকর্তা পদে দুই বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি মাসে মাসোহারা দিতে হতো।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলি-সংক্রান্ত নীতিমালা, ২০০৪ লঙ্ঘন করে অর্থের বিনিময়ে বদলি ও পদায়ন করা হতো।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।