বাবা তারেক রহমান ও মা জুবাইদা রহমানের সঙ্গে বৃহস্পতিবার দেশে আসেন জাইমা রহমান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভোটার হওয়ার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর নির্বাচন কমিশনে গিয়ে ভোটার হওয়ার কাজ সেরেছেন তাঁর কন্যা জাইমা রহমানও।
তিনি মা জুবাইদা রহমানের সঙ্গে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রবেশ করেন। ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্য ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ, স্বাক্ষর দেওয়া ও আইরিশের প্রতিচ্ছবি (চোখের মনির স্ক্যনিং) এর মাধ্যমে বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।
এর আগে গত ২৩শে জুন জাতীয় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন জুবাইদা রহমান। ফলে তিনি তার জাতীয় পরিচয়পত্র আগেই পেয়েছেন।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও আজ ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। তাঁদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন বিষয়ে রোববার সভা করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ।
তিনি বলেন, রোববার কমিশনে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি চূড়ান্ত হবে।
ইসি সচিব জানান, তারেক রহমান ও তাঁর মেয়ে জাইমা রহমান শনিবার ভোটার নিবন্ধন ফর্ম জমা দিয়ে নিবন্ধন কার্যক্রম শেষ করেছেন। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৫ ধারার অধীনে কমিশনের এখতিয়ার রয়েছে যেকোনো প্রাপ্তবয়স্ক বা ভোটার হওয়ার যোগ্য নাগরিককে ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার।
আখতার আহমেদ আরও জানান, তাঁরা ঢাকা–১৭ আসনের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। ‘ফর্ম–২’ পূরণ করে তারা ছবি তুলেছেন, বায়োমেট্রিক ও আইরিশ তথ্য দিয়েছেন এবং ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন করেছেন।
তারেক রহমানের এনআইডি নম্বর পাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিবন্ধন প্রক্রিয়া আজ সম্পন্ন হলেও তথ্য আপলোড করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, সিগনেচার, ফেস ও আইরিশ মিলিয়ে যাচাই করতে কিছুটা সময় লাগে। যাচাই শেষে নিশ্চিত হলে তাদের এনআইডি নম্বর দেওয়া হবে। আশা করছি, আজকের মধ্যেই এটি সম্পন্ন হবে।
ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে ইসির সিদ্ধান্ত কবে হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামীকাল কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।
তিনি আরও জানান, কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় দুটি উপায়ে—একটি আনুষ্ঠানিক সভার মাধ্যমে, অন্যটি নথির মাধ্যমে। কমিশন চাইলে সভা করতে পারে বা নথির মাধ্যমেও বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে পারে। এটি কমিশনের এখতিয়ার।
