মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও
আটক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে বিচারের মুখোমুখি করা হবে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি জানান, মাদুরোকে আটকের পর ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।
আজ শনিবার রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর এ তথ্য নিশ্চিত করেন মার্কিন সিনেটর মাইক লি। তিনি বলেন, ‘মাদুরো মার্কিন হেফাজতে থাকায় ভেনেজুয়েলায় আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আশা তিনি (রুবিও) করেন না। খবর বিবিসির
যারা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরে কাজ করছিলেন তাদের সুরক্ষা এবং প্রতিরক্ষার জন্য মার্কিন হামলাগুলো চালানো হয়েছে বলে জানান সিনেটর মাইক লি।
এর আগে, সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া একটি পোস্টে সিনেটর লি বলেছিলেন, আমি অধীর আগ্রহে এটা জানতে অপেক্ষা করছি যে, যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের অনুমোদন না নেওয়া, সাংবিধানিকভাবে এই পদক্ষেপকে ন্যায্যতা দিতে পারে কিনা।
আজ শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১টা ৫০ মিনিটে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোেরণের শব্দ শোনা যায়। এ সময় বিভিন্ন এলাকার মানুষ আতঙ্কে রাস্তায় বেরিয়ে আসে। সিএনএনের সাংবাদিক ওসমারি হার্নান্দেজ বলেন, ‘একটি বিস্ফোরণ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, আমার জানালার কাঁচ কাঁপছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কারাকাসে বিকট শব্দের পাশাপাশি যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গেছে। একই সঙ্গে আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়। শহরের দক্ষিণ অংশে একটি বড় সামরিক ঘাঁটির কাছে বিদ্যুৎ–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, রাতে শহরের আলোঝলমলের মধ্যে আকাশে দুটি ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে। অন্য একটি স্থানে আলোর ঝলকানির পরপরই বিকট শব্দ শোনা যায়।
সিবিএস নিউজ জানায়, কারাকাসে বিস্ফোরণ সম্পর্কে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন। ট্রাম্প নিজেই ভেনেজুয়েলার সামরিক স্থাপনাসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
ভেনেজুয়েলা সরকার জানিয়েছে, মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়াইরা রাজ্যেও হামলা হয়েছে। এর ফলে মাদুরো দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন।
