দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাঠামোর অংশ পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের এক উপ-পরিচালককে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক। তার বিরুদ্ধে একাধিক নারীসংক্রান্ত অনৈতিক সম্পর্ক ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ সামনে আসায় প্রশাসনিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে আলোড়ন।
অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট এই কর্মকর্তা নাকি বিভিন্ন সময় একাধিক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন—যেখানে বিয়ের প্রলোভনসহ নানা প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নারী দাবি করেছেন, তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে মানসিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা।
আরও জানা যায়, বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও রিসোর্টে নিয়মিত যাতায়াতের বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগের স্বপক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করা তথ্য এখনো প্রকাশ্যে আসেনি।

আব্দুস সালাম জড়িয়ে ধরে রঙ্গমঞ্চ
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, তাকে পরিকল্পিতভাবে “ব্ল্যাকমেইল” করার চেষ্টা চলছে। তার ভাষ্য, একটি চক্র ব্যক্তিগত স্বার্থে তাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ ছড়াচ্ছে।
তবে প্রশ্ন থেকেই যায়—যদি এমন অভিযোগের সত্যতা থাকে, তবে নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের একজন কর্মকর্তার আচরণ নিয়ে জনমনে আস্থার সংকট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। আবার যদি অভিযোগগুলো মিথ্যা হয়ে থাকে, তবে সেটিও একটি গুরুতর ষড়যন্ত্র হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষ তদন্ত অত্যন্ত জরুরি, যাতে সত্য উদঘাটন হয় এবং দোষী প্রমাণিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
শেষ কথা: এই ঘটনার সঠিক সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্বচ্ছ তদন্তই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। জনস্বার্থে সত্য উদঘাটনই পারে বিভ্রান্তি ও গুঞ্জনের অবসান ঘটাতে।
