সমতল মাতৃভূমি’র অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। হাবিব উল্লাহ ডন। ফাইল ফটো
বাংলাদেশের পুনঃসংস্কার করা গাড়ি আমদানি ও ব্যবসায়ী অঙ্গনে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ ডন। দেশের গাড়ি আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশ পুনঃসংস্কার করা যানবাহন আমদানিকারক ও বিক্রেতা সমিতি—বারভিডার একাধিক মেয়াদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও সহসভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।
দীর্ঘদিন ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে থাকার পাশাপাশি গত এক দশকের বেশি সময়ে হাবিব উল্লাহ ডনের নাম ঘিরে কর ও শুল্কসংক্রান্ত বিরোধ, গাড়ি আমদানিতে ঘোষণার প্রশ্ন, ব্যবসায়ী সংগঠনে প্রভাব, সরকারি মহলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে মামলা ও অভিযোগ—সব মিলিয়ে তাঁকে নিয়ে নানা প্রশ্ন সামনে এসেছে।
সমতল মাতৃভূমি’র অনুসন্ধানে পাওয়া নথি, প্রকাশিত সংবাদ ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণে এসব অভিযোগ ও বিতর্কের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে এসেছে। তবে অভিযোগ, মামলা ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং চূড়ান্ত আইনগত নিষ্পত্তির বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা জরুরি।
দীর্ঘদিন ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ ডন ২০০৯-১১, ২০১৩-১৫ এবং ২০১৭-১৯ মেয়াদে বাংলাদেশ পুনঃসংস্কার করা যানবাহন আমদানিকারক ও বিক্রেতা সমিতির সভাপতি ছিলেন। পরে ২০২২-২৪ মেয়াদেও তিনি সংগঠনটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
অর্থাৎ দেশের পুনঃসংস্কার করা গাড়ি আমদানিকারক ও বিক্রেতাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের নেতৃত্বে দীর্ঘ সময় ধরে তাঁর উপস্থিতি ছিল। পাশাপাশি তিনি এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ও সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ব্যবসায়ী সংগঠনের একটি যৌথ পরিষদ গঠনের উদ্যোগেও তাঁর অংশগ্রহণের তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল।
দীর্ঘদিনের এই সাংগঠনিক অবস্থান তাঁকে দেশের ব্যবসায়ী মহলে পরিচিত মুখে পরিণত করলেও একই সময়ে তাঁকে ঘিরে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
১৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার শুল্ক জরিমানা
হাবিব উল্লাহ ডনকে ঘিরে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে নথিভুক্ত বিতর্কগুলোর একটি তৈরি হয় ২০২৪ সালে তাঁর প্রতিষ্ঠান অটো মিউজিয়ামকে কেন্দ্র করে। চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ দুটি বিলাসবহুল গাড়ি আমদানির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে মোট ১৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা জরিমানা করে।
গাড়ি দুটি ছিল রেঞ্জ রোভার ও বিএমডব্লিউ এক্স৭।
শুল্ক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, গাড়ি দুটিকে ‘মৃদু সংকরচালিত’ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও সেগুলো প্রকৃতপক্ষে সংকরচালিত গাড়ি নয়। এই ঘোষণার মাধ্যমে শুল্ক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।
কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, এ ঘটনায় প্রায় ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা কম শুল্ক দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রকাশিত প্রতিবেদনে একটি গাড়ির জন্য প্রায় ৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং অপরটির জন্য প্রায় ৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা জরিমানার কথা উল্লেখ করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন হাবিব উল্লাহ ডন। তাঁর দাবি ছিল, আমদানি করা গাড়িগুলো সংকরচালিত এবং এর আগে একই ধরনের গাড়ি একই পদ্ধতিতে খালাস হয়েছে। তিনি শুল্ক কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে হয়রানি হিসেবে উল্লেখ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন।
ফলে এ ঘটনায় একদিকে শুল্ক কর্তৃপক্ষের অভিযোগ রয়েছে, অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের পাল্টা বক্তব্যও রয়েছে। বিষয়টির চূড়ান্ত আইনগত নিষ্পত্তিই নির্ধারণ করবে প্রকৃত দায় কার।
কর খেলাপির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিল, পরে ফিরে পাওয়া
২০২৩ সালের এফবিসিসিআই নির্বাচনকে ঘিরেও হাবিব উল্লাহ ডনের নাম আলোচনায় আসে।
প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, কর ও ঋণ খেলাপির অভিযোগে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর মনোনয়ন প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছিল। সেই তালিকায় হাবিব উল্লাহ ডনের নামও ছিল। পরে তিনি আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান।
এনবিআরের তথ্যের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁকে কর খেলাপি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে তাঁর প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে আপিলের সুনির্দিষ্ট ভিত্তি এবং সংশ্লিষ্ট নথির বর্তমান অবস্থাও পৃথকভাবে যাচাইয়ের দাবি রাখে।
আয়কর ও শুল্কসংক্রান্ত মামলাও আলোচনায়
হাবিব উল্লাহ ডনের নাম আয়কর ও শুল্কসংক্রান্ত বিভিন্ন বিচারিক কার্যক্রমেও এসেছে বলে প্রকাশিত নথি ও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।
শুল্কসংক্রান্ত দুটি আপিল মামলার নম্বর—১০০০/২০২৩ ও ১০০১/২০২৩—নিয়েও তথ্য পাওয়া যায়।
তবে এসব মামলার পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু, বর্তমান অবস্থা এবং চূড়ান্ত রায় কী—তা আদালতের সর্বশেষ নথি থেকে পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। কোনো মামলা বিচারাধীন থাকলে সেটিকে চূড়ান্ত অপরাধের প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে নতুন অধ্যায়
হাবিব উল্লাহ ডনকে ঘিরে সবচেয়ে রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর অভিযোগ সামনে আসে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে।
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, আশুলিয়ায় লাশ পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় তাঁকে ৮২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ১২১৮/২০২৪ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় বিভিন্ন দণ্ডবিধির ধারা প্রয়োগের কথাও প্রকাশিত হয়েছে।
একই সময়ে জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমন এবং তৎকালীন সরকারের পক্ষে ব্যবসায়ীদের ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন শাখায় যে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানেও হাবিব উল্লাহ ডনের নাম থাকার কথা বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।
অভিযোগে ব্যবসায়ীদের একটি সভা, তৎকালীন সরকারের প্রতি সমর্থন এবং আন্দোলন দমনে অর্থনৈতিক সহায়তা বা উৎসাহ দেওয়ার মতো বিষয় তুলে ধরা হয়েছিল বলে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়।
তবে এসব অভিযোগের কোনটি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে, কোনটি এখনো অভিযোগের পর্যায়ে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মামলার বর্তমান অবস্থাই বা কী—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্ত ও আদালতের নথি থেকেই নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
ইন্টারনেট বন্ধের সময় ব্যবসায়ীদের বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন
২০২৪ সালের জুলাইয়ে দেশে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকার সময় ব্যবসায়ী নেতাদের একটি বৈঠক হয়েছিল—এমন অভিযোগও প্রকাশিত হয়েছে।
অভিযোগকারী পক্ষের দাবি, ওই বৈঠকে তৎকালীন সরকারের প্রতি সমর্থন প্রকাশ এবং আন্দোলন দমনে ব্যবসায়ী মহলের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।
কিন্তু সেই বৈঠকে কে কী বক্তব্য দিয়েছিলেন, কেউ কোনো অর্থনৈতিক সহায়তা দিয়েছিলেন কি না, কার ভূমিকা কী ছিল—এসব প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর পেতে প্রয়োজন সভার নথি, ভিডিও, উপস্থিতির তালিকা, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য ও তদন্ত প্রতিবেদন।
সালমান এফ রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ নিয়েও আলোচনা
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবসায়ী সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে হাবিব উল্লাহ ডনের যোগাযোগের বিষয়টিও প্রকাশ্যে এসেছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের শেষদিকে ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের বৈঠকের খবর প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে হাবিব উল্লাহ ডন ব্যবসায়ী মহলের পক্ষ থেকে বক্তব্য দিয়েছিলেন বলে সংবাদে উল্লেখ করা হয়।
তবে ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিত্বের অংশ হিসেবে কোনো বৈঠকে উপস্থিত থাকা এবং কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ—দুটি বিষয়কে একইভাবে দেখার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট যোগাযোগের প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য নির্ধারণে নথি ও প্রত্যক্ষ প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ।
অর্থপাচারের অভিযোগ কতটা সত্য?
হাবিব উল্লাহ ডনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় গুরুতর আর্থিক অভিযোগও আলোচনায় এসেছে। এর মধ্যে সালমান এফ রহমানের অর্থপাচারের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতার দাবিও রয়েছে।
তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মতো গুরুতর অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উল্লেখ করার আগে সংশ্লিষ্ট তদন্ত, আর্থিক নথি, মামলা ও আদালতের সিদ্ধান্ত যাচাই করা জরুরি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা অনুসন্ধানের প্রসঙ্গ
২০১৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট ১৩ ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়েছিল—এমন প্রকাশিত প্রতিবেদনে হাবিব উল্লাহ ডনের নাম থাকার কথাও উঠে এসেছে।
তবে কোনো ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাওয়া বা আর্থিক অনুসন্ধানের আওতায় আসা নিজেই কোনো অপরাধের প্রমাণ নয়। অনুসন্ধানের ফলাফল, পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তই এখানে মূল বিষয়।
ব্যবসায়ী নেতৃত্ব নাকি রাজনৈতিক প্রভাব?
হাবিব উল্লাহ ডনের দীর্ঘ ব্যবসায়ী নেতৃত্বকে ঘিরে এখন আরেকটি প্রশ্নও সামনে এসেছে—তাঁর ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃত্ব কি কেবল ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষার সাংগঠনিক দায়িত্ব ছিল, নাকি তৎকালীন ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক মহলের সঙ্গে যোগাযোগ তাঁর প্রভাব আরও বাড়িয়েছিল?
কার সঙ্গে কতবার বৈঠক হয়েছে, কোন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং কোনো সিদ্ধান্তে ব্যক্তিগত বা সাংগঠনিক সুবিধা দেওয়া হয়েছিল কি না—এসব তথ্যই প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতে পারে।
একদিকে রয়েছে শুল্ক কর্তৃপক্ষের জরিমানা, অন্যদিকে করসংক্রান্ত অভিযোগ; কোথাও বিচারাধীন মামলা, কোথাও রাজনৈতিক অভিযোগ, আবার কোথাও রয়েছে এখনো প্রমাণিত না হওয়া গুরুতর দাবি।
এখন যে প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রয়োজন
হাবিব উল্লাহ ডনকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্য জানতে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর গুরুত্বপূর্ণ—
চট্টগ্রাম কাস্টমসের ১৩ কোটি ১৭ লাখ টাকার জরিমানার বর্তমান অবস্থা কী?
জরিমানার বিরুদ্ধে কোনো আপিল হয়েছে কি না এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দিয়েছেন?
এফবিসিসিআই নির্বাচনে কর খেলাপির অভিযোগে তাঁর মনোনয়ন বাতিল হওয়ার পর আপিলের ভিত্তি কী ছিল?
শুল্ক ও আয়করসংক্রান্ত মামলাগুলোর বর্তমান অবস্থা কী?
জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর আন্দোলন ঘিরে দায়ের করা মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ কী?
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগের তদন্ত কোথায় দাঁড়িয়েছে?
ব্যবসায়ী নেতাদের কথিত বৈঠকে তাঁর ভূমিকা কী ছিল?
সালমান এফ রহমানের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক যোগাযোগের প্রকৃতি কী ছিল?
এসব প্রশ্নের উত্তর নথি, তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
ডনের বক্তব্য কী?
এসব বিষয়ে হাবিব উল্লাহ ডনের বক্তব্য জানতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করবে সমতল মাতৃভূমি।
সমতল মাতৃভূমির অবস্থান
জনস্বার্থের সাংবাদিকতার উদ্দেশ্য কাউকে আগেভাগে অপরাধী বানানো নয়; বরং অভিযোগের আড়ালে থাকা সত্যকে নথি, সাক্ষ্য, তদন্ত ও আইনের আলোকে সামনে আনা।
হাবিব উল্লাহ ডনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর সত্যতা থাকলে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায় নির্ধারণ হোক। আর যেসব অভিযোগের ভিত্তি নেই, সেগুলোও নথি ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।
কারণ অভিযোগের সত্যতা যেমন অনুসন্ধানের বিষয়, তেমনি অভিযুক্ত ব্যক্তির আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকারও আইনের অংশ।
হাবিবুল্লাহ ডনের অভিযোগের বিস্তারিত থাকবে পরবর্তী প্রতিবেদনে। চলবে………..
