কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের কারিগরপাড়ায় বিষধর সাপের আতঙ্ক যেন কাটছেই না। গত ১৬ জুলাই সাপের কামড়ে সামিরুল ইসলামের ছেলে সম্রাটের মর্মান্তিক মৃত্যুর শোক না কাটতেই, এবার একই বাড়ি থেকে বিষধর সাপ উদ্ধার করতে গিয়ে দংশনের শিকার হয়েছেন সাপুড়ে ইমরান। বর্তমানে তিনি কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্রাটের মৃত্যুর পরদিন অর্থাৎ ১৭ জুলাই রাত প্রায় ১০টার দিকে সামিরুল ইসলামের বসতবাড়িতে আবারও একটি বিষধর সাপ দেখা যায়। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা দ্রুত সাপুড়ে ইমরানকে খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে সাপটি উদ্ধারের চেষ্টা শুরু করেন।
তবে উদ্ধার অভিযান চলাকালীন হঠাৎ সাপটি ইমরানকে দংশন করে। বিষধর সাপের কামড়ে তিনি দ্রুত অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-তে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং আগের তুলনায় কিছুটা আশঙ্কামুক্ত।
এদিকে, পরপর দুটি সাপ-সংক্রান্ত ঘটনায় পুরো কারিগরপাড়া এলাকায় চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি বিষধর সাপের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
ইমরান সাপুড়ের দ্রুত সুস্থতা কামনায় তাঁর পরিবার ও এলাকাবাসী সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।
