ফাইল ছবি
বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নেওয়া হয়েছিল তরুণ মেহেদী হাসান দিগন্তকে (১৮)। কিন্তু সেই বেড়ানোই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরে বন্ধুদের হাতে মেহেদী খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। হত্যার পর লাশ গুমের উদ্দেশে কাঠের গুঁড়ির সঙ্গে বেঁধে লেকের পানিতে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের দুই বন্ধু তুহিন (১৮) ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে (১৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৩০ আগস্ট) পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের আলমপুর ভূঁইয়া ব্রিজসংলগ্ন লেকের পানির নিচ থেকে কাঠের গুঁড়ির সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মেহেদীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে মেহেদীকে বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নেওয়া হয়। এরপর তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে মারধর এবং শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পরে হত্যার ঘটনা আড়াল ও লাশ গুমের উদ্দেশ্যে মরদেহটি কাঠের গুঁড়ির সঙ্গে বেঁধে লেকের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়।
রোববার স্থানীয় লোকজন লেকের পানিতে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় নিহত মেহেদীর বড় ভাই ইসলাম বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এইচ এম সালাউদ্দিন জানান, পূর্বশত্রুতার জেরে মেহেদীকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর লাশ পানিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় তার দুই বন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ভূমিকা এবং লাশ গুমের উদ্দেশ্যে পানিতে ফেলে দেওয়ার নেপথ্যের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে পুলিশ।
