রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) নিরীক্ষা শাখার সহকারী পরিচালক নাদিয়া আহমেদ টুম্পাকে ঘিরে ঘুষ গ্রহণ, ফাইল আটকে রাখা, গ্রাহক হয়রানি এবং ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ আদায়ের অভিযোগ নিয়ে আগে সংবাদ প্রকাশ হলেও দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং অভিযোগকারীদের দাবি, ব্যবস্থা না নেওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।
নাদিয়া আহমেদ টুম্পাকে ঘিরে রাজউকের নিরীক্ষা শাখায় একটি প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে—এমন অভিযোগও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র এই কথিত নেটওয়ার্ককে ‘টুম্পা সিন্ডিকেট’ হিসেবে উল্লেখ করছে।
অভিযোগ রয়েছে, ফ্ল্যাট হস্তান্তর, নামজারি, জমির মালিকানা পরিবর্তন, কমিশন, জমি তদন্ত ও হাজিরাসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনানুষ্ঠানিক অর্থ দাবি করা হয়। এমনকি কিছু ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—এত অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশের পরও রাজউক কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নিয়েছে?
এ বিষয়ে রাজউক চেয়ারম্যানের নীরবতাও এখন প্রশ্নের মুখে।
তবে অভিযোগগুলোর সবকটির পক্ষে এখনো নথিভিত্তিক ও স্বাধীন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগ, প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা, পূর্বে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং সরকারি নথি—সবকিছু আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি।
আগের প্রতিবেদনেও একই অভিযোগ
২০২৫ সালের জুলাইয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে নাদিয়া আহমেদ টুম্পার বিরুদ্ধে প্রায় একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছিল। সেখানে ফাইল আটকে রাখা, তদন্ত ও হাজিরার নামে অর্থ নেওয়া এবং ডেভেলপারদের কাছ থেকে মাসিক অর্থ আদায়ের দাবি করা হয়েছিল।
কিন্তু ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পরও অভিযোগগুলোর বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো বিভাগীয় তদন্ত, অডিট আপত্তি, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের নথি পাওয়া যায়নি।
ফলে প্রশ্ন উঠেছে—একই ধরনের অভিযোগ বারবার সামনে আসার পরও কেন বিষয়টি যথাযথ তদন্তের আওতায় আসছে না?
সরকারি তালিকায় টুম্পার পদ নিশ্চিত
রাজউকের সরকারি কর্মকর্তা তালিকায় নাদিয়া আহমেদ টুম্পাকে সহকারী পরিচালক (নিরীক্ষা) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একই তালিকায় তাঁর দাপ্তরিক ই-মেইল ও মোবাইল নম্বরও প্রকাশ করা হয়েছে।
অর্থাৎ, রাজউকের নিরীক্ষা শাখায় তাঁর দায়িত্ব পালনের বিষয়টি সরকারি তথ্যেই নিশ্চিত। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ, ফাইল আটকে অর্থ আদায় কিংবা কথিত ‘সিন্ডিকেট’ পরিচালনার অভিযোগ সত্য কি না, তা পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
ফাইল আটকে রেখে তৈরি হয় নতুন আপত্তি—অভিযোগ
রাজউক থেকে সেবা নিতে যাওয়া ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের অভিযোগ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও ফাইল দীর্ঘদিন আটকে থাকে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগের পর নতুন আপত্তি কিংবা অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়।
অভিযোগকারীদের দাবি, এর পর অর্থের বিনিময়ে কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।
কেউ কেউ দাবি করেছেন, জমি তদন্ত কিংবা কমিশনের কাজে তাঁদের কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়েছে। আবার রাজউকে হাজিরার ক্ষেত্রেও ৫ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অনানুষ্ঠানিক অর্থ দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে ফাইল আটকে রাখা, নতুন আপত্তি তৈরি করা কিংবা ভুল তথ্যসংবলিত চিঠি দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও রয়েছে।
তবে এসব অভিযোগ যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট ফাইল নম্বর, নোটশিট, অর্থ প্রদানের প্রমাণ, দাপ্তরিক চিঠিপত্র এবং প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
ডেভেলপারদের কাছ থেকে ‘মাসোহারা’?
অভিযোগের আরেকটি গুরুতর অংশ ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, কিছু ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে মাসিক ভিত্তিতে ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়মিত অর্থ নেওয়া হয়। এই অর্থকে কেউ কেউ ‘মাসোহারা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
যদি এ অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠছে—কতটি প্রতিষ্ঠান নিয়মিত অর্থ দেয়, কোন কোন ফাইলের সঙ্গে এসব প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ রয়েছে, ফাইলগুলো কত দ্রুত নিষ্পত্তি হয়েছে এবং অর্থ লেনদেনের কোনো নথি বা আর্থিক প্রমাণ রয়েছে কি না?
এসব প্রশ্নের উত্তর ছাড়া অভিযোগের আর্থিক ব্যাপ্তি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
‘মাসে কোটি টাকা’—দাবির ভিত্তি কী?
কথিত এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মাসে কোটি টাকার বেশি অর্থ লেনদেন হয়—এমন দাবিও বিভিন্ন সূত্রে করা হয়েছে।
কিন্তু এই দাবির পক্ষে এখনো পর্যাপ্ত নথিভিত্তিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
শুধু সূত্রের বক্তব্যের ভিত্তিতে কোটি টাকার লেনদেন নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ জন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের তালিকা, ফাইলের সংখ্যা, নিষ্পত্তির সময়কাল, অর্থ প্রদানের তথ্য, ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লেনদেন এবং প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য।
অর্থাৎ, অভিযোগের সঙ্গে অর্থের প্রবাহের বাস্তব যোগসূত্র প্রতিষ্ঠা করাই হবে তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
টুম্পা সিন্ডিকেটে’ কারা?
‘টুম্পা সিন্ডিকেট’ নামে একটি নেটওয়ার্কের অভিযোগ সামনে এলেও এতে কারা জড়িত, তাঁদের নির্দিষ্ট ভূমিকা কী এবং অর্থের প্রবাহ কীভাবে পরিচালিত হয়—এসব বিষয়ে এখনো পর্যাপ্ত নথিভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায়নি।
যদি সত্যিই কোনো সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকে, তাহলে তার সদস্য, মধ্যস্থতাকারী, সংশ্লিষ্ট ফাইল এবং অর্থ লেনদেনের তথ্য নথির মাধ্যমে শনাক্ত করা সম্ভব হওয়ার কথা।
এ ক্ষেত্রে রাজউকের অভ্যন্তরীণ তদন্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নিউজ প্রকাশের পরও ব্যবস্থা নেই কেন?
এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।
নাদিয়া আহমেদ টুম্পাকে ঘিরে অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ আগেও প্রকাশিত হয়েছে। এরপরও যদি কোনো তদন্ত, অডিট বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা না হয়ে থাকে, তাহলে কেন হয়নি—তার ব্যাখ্যা রাজউক কর্তৃপক্ষের কাছেই প্রত্যাশিত।
অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে জবাবদিহির ভয় কমে যেতে পারে এবং অভিযোগের পরিধিও বাড়তে পারে।
তবে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রকাশিত হওয়াই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার সমান নয়। একইভাবে প্রশাসনিক ব্যবস্থা না নেওয়াকেও অপরাধের প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। প্রকৃত সত্য জানতে নিরপেক্ষ তদন্ত ও নথি যাচাই প্রয়োজন।
রাজউক চেয়ারম্যানের নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ
প্রকাশিত সংবাদ ও অভিযোগের পরও রাজউক চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য তদন্ত, ব্যাখ্যা বা দৃশ্যমান প্রশাসনিক পদক্ষেপের তথ্য না থাকায় প্রশ্ন উঠছে—কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে কীভাবে দেখছে?
কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে সেটি সত্য কি না, তা যাচাই করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। অভিযোগ সত্য হলে ব্যবস্থা এবং মিথ্যা হলে অভিযোগ খণ্ডনের সুযোগ—দুটিই প্রশাসনিক স্বচ্ছতার অংশ।
তাই রাজউক চেয়ারম্যানের কাছে এখন কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর গুরুত্বপূর্ণ—
* নাদিয়া আহমেদ টুম্পার বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো লিখিত অভিযোগ রয়েছে কি না।
* অভিযোগের ভিত্তিতে কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে কি না।
* কোনো অডিট আপত্তি বা প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণ রয়েছে কি না।
* তাঁকে কখনো দায়িত্ব থেকে সরানো বা বদলি করা হয়েছিল কি না।
তাঁর অধীনে নিষ্পত্তি হওয়া ফাইলের কোনো নমুনা অডিট করা হয়েছে কি না।
* পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদনের অভিযোগগুলো যাচাইয়ে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কি না।
নথি খুললেই মিলবে প্রকৃত চিত্র
এই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের সবচেয়ে কার্যকর পথ হচ্ছে সংশ্লিষ্ট ফাইল ও নোটশিট পরীক্ষা।
কোনো ফাইল কখন নিরীক্ষা শাখায় গেছে, কতদিন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে ছিল, কখন আপত্তি দেওয়া হয়েছে, কী কারণে অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত কখন ফাইলটি নিষ্পত্তি হয়েছে—এসব তথ্য বিশ্লেষণ করলে অভিযোগের বাস্তব চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।
একইভাবে ভুল তথ্যসংবলিত চিঠি দেওয়ার অভিযোগ থাকলে মূল চিঠি, সংশোধিত চিঠি ও সংশ্লিষ্ট নোটশিট পাশাপাশি পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
পাওয়া যায়নি বিভাগীয় তদন্ত বা শাস্তির নথি
অনুসন্ধানে নাদিয়া আহমেদ টুম্পার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, ফাইল আটকে অর্থ আদায় কিংবা ‘সিন্ডিকেট’ পরিচালনার অভিযোগের পক্ষে কোনো বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদন, অডিট আপত্তি, শাস্তির আদেশ বা আদালতের নথি পাওয়া যায়নি।
তাই অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ নেই।
বরং অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট ফাইল, নোটশিট, দাপ্তরিক চিঠি, অর্থ লেনদেনের তথ্য এবং প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য যাচাই করা জরুরি।
টুম্পার বক্তব্য পাওয়া যায়নি
নাদিয়া আহমেদ টুম্পার বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগকারী পক্ষ জানিয়েছে। তবে যোগাযোগ সম্ভব না হওয়ায় তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রাজউক কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আগের সংবাদ প্রকাশের পর কোনো তদন্ত বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কি না—তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
পাঁচ প্রশ্নের উত্তর এখন জরুরি
নাদিয়া আহমেদ টুম্পাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে অন্তত পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন—
১. কোন কোন ফাইল অর্থের বিনিময়ে আটকে রাখা বা দ্রুত নিষ্পত্তির অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত?
২. অভিযোগকারী বা ভুক্তভোগীরা তাঁদের ফাইল নম্বর ও অর্থ লেনদেনের প্রমাণ দিতে পারবেন কি?
৩. রাজউকের অভ্যন্তরীণ তদন্ত বা অডিটে কোনো অনিয়ম ধরা পড়েছে কি?
৪. অভিযোগের বিষয়ে রাজউক কর্তৃপক্ষ আগে কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে কি?
৫. মাসে কোটি টাকা লেনদেনের দাবির পক্ষে আর্থিক বা নথিগত প্রমাণ কোথায়?
ব্যবস্থা না হলে প্রশ্ন থেকেই যাবে
নাদিয়া আহমেদ টুম্পার পদ ও কর্মস্থলের তথ্য সরকারি নথিতে নিশ্চিত হলেও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ গ্রহণ, ফাইল আটকে অর্থ আদায় ও কথিত ‘টুম্পা সিন্ডিকেট’ পরিচালনার অভিযোগগুলো এখনো স্বাধীন নথিপ্রমাণে প্রতিষ্ঠিত নয়।
কিন্তু একই ধরনের অভিযোগ বারবার সামনে আসার পরও যদি কোনো কার্যকর তদন্ত না হয়, তাহলে প্রশাসনিক জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।
অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। আবার অভিযোগ অসত্য হলে তদন্তের মাধ্যমে সেটিও স্পষ্ট করা জরুরি। কারণ নীরবতা কোনো অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করে না, আবার অভিযোগ উপেক্ষা করাও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার বিকল্প হতে পারে না।
এখন দেখার বিষয়—রাজউক চেয়ারম্যান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগগুলোর বিষয়ে কোনো তদন্ত বা নথিভিত্তিক যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয় কি না।
বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী ফলোআপ প্রতিবেদনে। দুদকে অভিযোগ প্রক্রীয়াধীন। চলবে…
