হাতের মেহেদির রং না মুছতেই লাশ হলো কিশোরী। আজ রোববার দুপুরে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গৌরিপুর ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটেছে।
নববধূ মাসরুফা বেগম (১৬) ওই ইউনিয়নের বনগাঁও নয়াপাড়া গ্রামের মাসুদ পারভেজের মেয়ে। মাত্র ৪৫ দিন আগে তার বিয়ে হয় শ্রীবরদী উপজেলার গড়জরিপা গ্রামের সুলাইমান মিয়ার সঙ্গে।
পুলিশের ধারণা, কিশোরীর মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তাই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি নাজমুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাটি রহস্যজনক হওয়ায় মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে অধিকতর তদন্ত শুরু করেছেন তারা।
জানা গেছে, দেড়মাস আগে পারিবারিকভাবে কিশোরীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর মেয়েকে বাড়িতে রেখে পোশাককর্মী মা-বাবা ঢাকা চলে যান। রোববার দুপুরে মারুফা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এসময় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কিন্তু লাশ বাড়িতে আনার পর সন্দেহ তৈরি হয়। গলায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় পুলিশে খবর দেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি বলেন, কিশোরীকে হত্যা করা হয়েছে। তা না হলে গলায় আঘাতের চিহ্ন থাকবে কেন।
ঝিনাইগাতী থানার উপ-পরিদর্শক জামাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল করেছেন। কিশোরীর গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। স্বজনরা মৃত্যু নিয়ে সন্দেহজনক কথাবার্তা বলেছেন।
