দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি। ছবি: সমতল মাতৃভূমি
ছাত্র-জনতার আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন এবং দলের মূল লক্ষ্য ও আদর্শ থেকে সরে জামায়াতের জোটে অংশ নেওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সব ধরনের নির্বাচনি কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়ালেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষদিনেও তিনি মনোনয়নপত্র উত্তোলন বা জমা দেননি।
দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি এনসিপি থেকে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনে সংসদ সদস্য পদে প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন। শুরু করেছিলেন নিজ এলাকায় নির্বাচনি প্রচারণা।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় সংগঠক ও জাতীয় যুবশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি ২৯ ডিসেম্বর রাতে গণমাধ্যম কর্মীদের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, এই দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আমাদের স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও বাংলাদেশপন্থার রাজনীতির। দলের র্শীষ নীতিনির্ধারকরা ৩০০ আসনে এককভাবে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। অথচ গত ২৮ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দলীয় জোটে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে এনসিপি যোগদান করে।
তিনি বলেন, এ অংশগ্রহণের মাধ্যমে দলীয় নেতারা তাদের বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন। এটা এক ধরনের প্রবঞ্চনা বলে তিনি মনে করেন।
নিজের নৈতিকতা আদর্শ বিসর্জন দিয়ে জনতার বিশ্বাসের অমর্যাদা করে তিনি কখনো এই জোটে যোগ দিতে পারেন না। প্রীতি বলেন, জনতার অধিকার রক্ষা ও নতুন রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে এনসিপিতে যোগ দিয়েছিলাম। বর্তমানে এই দল ও জোটের সব ধরনের নির্বাচনি কর্মকাণ্ড থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছি।
প্রীতি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এ বিষয়ে দ্রুতই আমি পরবর্তী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব।
প্রসঙ্গত, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী প্রীতি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার রামগাতী গ্রামের বখতিয়ার মোমিন চৌধুরীর মেয়ে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ ঢাকসুর কবি সুফিয়া কামাল হলের সাবেক সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক।
