ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় উম্মুল কুরা ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসায় বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত মালামাল পরিষ্কারের সময় ফের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে শ্রমিক রাজু আহত হয়েছেন। রাজু বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানার বালিগ্রাম এলাকার মৃত ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে।
বুধবার দুপুরে মাদ্রাসা ভবনের মালিক পারভিন বেগম রাজুকে সঙ্গে নিয়ে ভবনের ভেতরে পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। এ সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটলে রাজুর পায়ে আঘাত লাগে। পরে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইকুরিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল আলম জানান, ২৬ ডিসেম্বর মাদ্রাসাটিতে প্রথম বিস্ফোরণের ঘটনার পর অনুমতি ছাড়া ভবনটিতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে ভবন মালিক পুলিশকে না জানিয়ে শ্রমিকসহ সেখানে প্রবেশ করে পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন। মাদ্রাসাটিতে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক মজুদ ছিল। জননিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভবনটিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, ভেজা রাসায়নিক রোদে শুকিয়ে যাওয়ার কারণে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে। পুলিশের উপস্থিতিতেই ভবন পরিষ্কারের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
২৬ ডিসেম্বর সকালে ওই মাদ্রাসায় প্রথম বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে মাদ্রাসা পরিচালক শেখ আলামিনের দুই ছেলেসহ চারজন আহত হন। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০০ লিটার তরল রাসায়নিক ভর্তি কয়েকটি ড্রাম, চারটি ককটেল সদৃশ বস্তু, একটি ল্যাপটপ ও দুটি মনিটর উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে শেখ আলামিন এখনো পলাতক রয়েছেন।
