ছবি: সংগৃহীত
বাংলার ঐতিহ্য আর আধ্যাত্মিকতার এক অনন্য মিলনমেলা—শোলাকিয়া ঈদগাহ—প্রস্তুত এবারও ইতিহাসের সাক্ষী হতে। শনিবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ১৯৯তম বৃহৎ ঈদ জামাত, যেখানে লাখো মুসল্লির উপস্থিতিতে মুখরিত হবে পুরো এলাকা।
এই বিশাল জনসমাগমকে ঘিরে নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন প্রস্তুতি। মোতায়েন করা হয়েছে ৫ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), যারা ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকায় গড়ে তুলেছে শক্তিশালী নিরাপত্তা বলয়।
বিজিবির ৩১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী জানান, সীমান্তের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায়ও বিজিবি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব নিয়ে কাজ করছে। প্রতি বছরের মতো এবারও শোলাকিয়ার ঐতিহ্যবাহী এই জামাতে মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ে নিরলস দায়িত্ব পালন করবে।
নিরাপত্তায় কড়াকড়ি নির্দেশনা:মুসল্লিদের জন্য নির্ধারিত প্রবেশপথ ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো ধরনের ব্যাগ, ধারালো অস্ত্র বা সন্দেহজনক বস্তু বহনে দেওয়া হয়েছে কঠোর নিষেধাজ্ঞা—যাতে এই মহাজামাত হয় সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ।
বিশ্বাস, ঐতিহ্য আর নিরাপত্তার মেলবন্ধন : শতাব্দীপ্রাচীন এই ঈদ জামাত শুধু নামাজ নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক গৌরবময় প্রতীক। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারের আয়োজনও হবে শান্তি, শৃঙ্খলা আর ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
