কুষ্টিয়ার উদিবাড়ী বাজারে যেন এক অন্যরকম দিন—যেখানে নিত্যদিনের ব্যস্ততার মাঝে হঠাৎ করেই নেমে এলো আইনের দৃঢ় উপস্থিতি। ৩১ মার্চ ২০২৬, এই দিনে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকিমূলক অভিযান যেন এক নিঃশব্দ ভালোবাসার মতো—যেখানে মানুষের নিরাপত্তা আর অধিকারকে আগলে রাখার প্রতিশ্রুতি ছিল প্রবল ও অকৃত্রিম।
মুদি,ফার্মেসি এবং হার্ডওয়্যারের দোকানগুলো যখন তাদের স্বাভাবিক গোপন ষড়যন্ত্রের ছন্দে চলছিল, ঠিক তখনই অভিযান দল পৌঁছে যায় উদিবাড়ী বাজারে। প্রতিটি তাক,প্রতিটি বোতল, প্রতিটি ওষুধের গায়ে যেন খুঁজে দেখা হচ্ছিল সত্য আর অসত্যের গল্প।
এদিকে অভিযানে কঠোরতায় ধরা পড়ে অনিয়মের কালো ছায়া। হুসাইন ফার্মেসি—যেখানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ যেন নীরবে প্রতারণার গল্প বলছিল—সেখানে আরোপ করা হয় ২,০০০ টাকা জরিমানা। অন্যদিকে, সুলতানা ফার্মেসিতে অননুমোদিত ওষুধ, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের উপস্থিতি যেন আইনকে চ্যালেঞ্জ করছিল—ফলে গুনতে হয় ৬,০০০ টাকার জরিমানা।
এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন সহকারী পরিচালক মোঃ মাসুম আলী—যার দৃঢ়তা ছিল এক অভিভাবকের মতো, জনগণের সুরক্ষায় অবিচল। তার সঙ্গে ছিল জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল এবং র্যাব-১২ কুষ্টিয়া ক্যাম্পের টহল ইউনিট—যারা পুরো অভিযানে নিরাপত্তার অদৃশ্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
এ যেন শুধুই একটি অভিযান নয়—এটি ছিল মানুষের অধিকার রক্ষার এক নিঃশব্দ ভালোবাসা, যেখানে প্রতিটি জরিমানা ছিল সতর্কতার বার্তা, আর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল নিরাপদ আগামী ভেজালমুক্ত খাদ্য গড়ার প্রতিশ্রুতি।
