মঙ্গলবার, ১৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খেলাপি ঋণের বোঝা নিয়ে সংসদে যাচ্ছেন ১১ এমপি

সমতল মাতৃভূমি ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ ১২:১০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

প্রতীকী ছবি
উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে অন্তত ৪৫ ঋণখেলাপি প্রার্থী এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। তাদের মধ্যে ১১ জন বিজয়ী হয়েছেন এবং সবাই বিএনপি থেকে নির্বাচিত। তাদের মধ্যে দুজনের খেলাপি ঋণ-সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ায় (চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসন) আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন। আগামীকাল এমপিদের শপথ অনুষ্ঠানে তারা আমন্ত্রণ পাননি।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, কোনো ঋণখেলাপি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন না। সংশোধিত আরপিওতে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি কারও ঋণখেলাপি বা হলফনামায় কোনো মিথ্যা তথ্য দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়, তার সংসদ সদস্য পদ বাতিল করতে পারবে নির্বাচন কমিশন। ফলে আইন অনুযায়ী, ঋণখেলাপি দেখানো যাবে না মর্মে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ উঠে গেলে তারা এমপি পদ হারাতে পারেন। অবশ্য স্থগিতাদেশের মেয়াদ থাকা অবস্থায় পুনঃতপশিলের মাধ্যমে একবারে শোধ করে দিলে তাদের সেই ঝুঁকি থাকবে না। অন্যদিকে, ঋণ নিয়মিত করলে কিংবা আদালত স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ালে তারা সাময়িক ঝুঁকিমুক্ত থাকবেন। কিন্তু সংসদ সদস্য থাকাকালে ব্যাংকের আবার খেলাপি হলে বা স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হলে তারা পুনরায় এমপি পদ হারানোর ঝুঁকিতে থাকবেন।ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গত ২৯ ডিসেম্বর। সব প্রার্থীর ঋণের তথ্য যাচাই করে গত ৩০ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) থেকে দুটি তালিকা পাঠানো হয় নির্বাচন কমিশনে। একটি তালিকায় ঋণখেলাপি হিসেবে ৮২ জনকে চিহ্নিত করা হয়। অপর তালিকায় ৩১ জনের নাম দেওয়া হয়, যারা সবাই উচ্চ আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নিয়েছেন। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ পাওয়াদের মধ্যে কেবল কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি ইসির আপিল শুনানিতে বাদ পড়েন। বাকি ৩০ জন নির্বাচনে অংশ নেন। আর ঋণখেলাপি হিসেবে শুরুতে বাদ পড়া ৮২ জনের মধ্যে ১৫ জন পরবর্তী সময় আপিল শুনানি কিংবা আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পান। আইনগত সব প্রক্রিয়া শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা প্রতীক বরাদ্দ করে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন গত ২১ জানুয়ারি।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন নির্বাচনে ঋণখেলাপিদের অনেকেই তথ্য গোপন কিংবা আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচন করার সুযোগ পান। তবে এবার সরকারের দিক থেকে বলা হয়েছিল, কাউকে এই সুযোগ দেওয়া হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর তপশিল ঘোষণার আগে বলেন, আদালতের স্থগিতাদেশ নিলেও সিআইবিতে খেলাপি দেখানো হবে। তবে এ জন্য আইন পরিবর্তন করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তা আর কার্যকর হয়নি।অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গত আগস্টে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনে ঋণখেলাপিরা অংশ নিতে পারবেন না। নির্বাচন কমিশনের উচিত ঋণখেলাপিদের শনাক্ত করা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আদালতের ‘স্টে অর্ডার’ নিয়ে। ঋণখেলাপিদের অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ মন্তব্য করেন– ‘আমরা ঋণখেলাপি যাদের ছাড় দিয়েছি, মনে কষ্ট নিয়ে দিয়েছি। শুধু আইন তাদের পারমিট করেছে বিধায়।’

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার গতকাল সমকালকে বলেন, প্রার্থিতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। এ ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের একটি রায়ে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারবহির্ভূত ও বেআইনি সিদ্ধান্ত (কোরাম নন-জুডিস ও ম্যালিস ইন ল) –এই দুটি ক্ষেত্রে প্রার্থীদের কেউ চাইলে আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারেন। তিনি প্রশ্ন রাখেন, আদালত কি তাহলে যারা নির্বাচনে অংশ নেওয়ারই যোগ্য নয়, তাদের বিজয়ী হওয়ার সুযোগ করে দিলেন? তাঁর মতে, এর মাধ্যমে জয়-পরাজয়ের সমীকরণ বদলে গেছে।

স্থগিতাদেশ নিয়ে এমপি যারা

চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপি থেকে বিজয়ী সারোয়ার আলমগীরের মালিকানাধীন এনএফজেড টেরি টেক্সটাইলের নামে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের আগ্রাবাদ শাখায় ২০১ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ছিল। উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন জারি করা নির্বাচন কমিশনের আদেশে বলা হয়, মাননীয় হাইকোর্ট বিভাগের রিট পিটিশন নং ১০৫৩/২০২৬-এর ৩ ফেব্রুয়ারির আদেশের আলোকে সরোয়ার আলমগীর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে আপিল বিভাগে দায়েরকৃত সিপিএলএ নং ৪৪০/২০২৬ চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে। সরোয়ার আলমগীর ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নুরুল আমিন পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।

চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরীর মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে নেওয়া ঋণ ব্যাংক এশিয়া ও ট্রাস্ট ব্যাংকে খেলাপি ছিল। সিআইবিতে তাঁর ঋণখেলাপি না দেখানোর ওপর প্রথমে গত ১৯ ও ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দেন আদালত। মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি আবার আদালত থেকে স্থগিতাদেশ নেন। নির্বাচনের দিন নির্বাচন কমিশনের এক অফিস আদেশে বলা হয়, আপিল বিভাগে দায়ের করা রিট পিটিশন নং ১১৭৪/২০২৬-এর আদেশের আলোকে মোহাম্মদ আসলাম চৌধুরী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে আপিল চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ফলাফল স্থগিত থাকবে। এর আগে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ প্রার্থীকে অনুরোধ করে বলেন, ‘মনোনয়নপত্র বৈধ করলাম।

ব্যাংকের টাকাটা দিয়ে দিয়েন।’ ধানের শীষ প্রতীকে আসলাম চৌধুরী এক লাখ ৪২ হাজার ৬৭৪ ভোট পেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আনোয়ার ছিদ্দিক চৌধুরী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ২৬৮ ভোট।চট্টগ্রাম-৬ আসন থেকে বিজয়ী বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নামে ঋণখেলাপি দেখানোর ওপর আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিতাদেশ রয়েছে। কুমিল্লা-১০ আসন থেকে বিজয়ী মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান ব্যাংক এশিয়ার ঋণখেলাপি। শুরুতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনলে ঋণখেলাপির দায়ে অবৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তবে বিএনপি থেকে মনোনয়ন পাওয়া আবদুল গফুর ভূঁইয়ার দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এতে করে আসনটি বিএনপির প্রার্থীশূন্য হয়। প্রতীক বরাদ্দসহ সব প্রক্রিয়া শেষের চার দিন পর ২৫ জানুয়ারি মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র গ্রহণ এবং ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার এম জমিরউদ্দিন সরকার।

কুমিল্লা-৯ আসনে বিজয়ী বিএনপির মো. আবুল কালামের ঋণখেলাপি দেখানোর ওপর আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত। বিএনপি মনোনীত বগুড়া-১ আসনের কাজী রফিকুল ইসলামকে ঋণখেলাপি দেখানোর ওপর স্থগিতাদেশের একটির মেয়াদ শেষ হয়েছে গত ২৫ জানুয়ারি। অপর দুটি স্থগিতাদেশের একটির মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৭ মার্চ ও ২২ এপ্রিল। বগুড়া-৫ আসন থেকে বিজয়ী বিএনপির গোলাম মোহাম্মদ সিরাজের খেলাপি ঋণ-সংক্রান্ত চার মামলা রয়েছে। এর মধ্যে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি ও ১৬ মার্চ দুটি মামলার স্থগিতাদেশের মেয়াদ শেষ হবে। অপর দুটি মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশ থাকবে।টাঙ্গাইল-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী মো. লুৎফর রহমানকে ঋণখেলাপি দেখানোর ওপর আগামী ২৪ মে পর্যন্ত স্থগিতাদেশ রয়েছে। লুৎফর রহমান আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী লতিফ সিদ্দিকীকে হারিয়ে জয় পেয়েছেন। ময়মনসিংহ-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী মোহাম্মদ জাকির হোসেনের মালিকানাধীন ক্ল্যাসিক ফ্যাশন প্রিমিয়ার ব্যাংকের বনানী শাখার খেলাপি। আগামী ৬ জুন পর্যন্ত তাঁর ঋণখেলাপি দেখানোর ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন আদালত। মৌলভীবাজার-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরীর আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঋণখেলাপি দেখানোর ওপর উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ রয়েছে। সিলেট-১ থেকে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীরের মালিকানাধীন এফএম ইয়ার্ন ডায়িং এবং মাগনুম এন্টারপ্রাইজের ঋণখেলাপি-সংক্রান্ত মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সিআইবিতে খেলাপি দেখানোর ওপর আদালতের স্থগিতাদেশ রয়েছে।

নির্বাচিত ১১ জনের বাইরে চট্টগ্রাম-১৪ থেকে নির্বাচিত আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদের মালিকানাধীন হোটেল আইবিস সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ছিল। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ পরদিন ৩০ ডিসেম্বর পুনঃতপশিলের মাধ্যমে তাঁর ঋণখেলাপিমুক্ত হয়। তিনি এই পুনঃতপশিলের জন্য ডাউনপেমেন্টের টাকা জমা দেন ২৩ ও ২৫ ডিসেম্বর। যে কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

যশোর-২ আসনের ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাইম ব্যাংকে তাঁর ক্রেডিট কার্ডের ঋলখেলাপিমুক্ত হয় নির্ধারিত তারিখের পর ১ জানুয়ারি। ওই দিন ব্যাংকের সব পাওনা পরিশোধ করে তিনি খেলাপিমুক্ত হন। শুরুতে প্রার্থিতা বাতিল হলেও গত ১৮ জানুয়ারি আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পান তিনি।জানতে চাইলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান গণমাধ্যম কে বলেন, আইনের চোখে সব নাগরিক সমান। অথচ ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের অনেক সময় জেলে যেতে দেখা যায়। আর প্রভাবশালীরা ব্যাংকের সঙ্গে যোগসাজশে কখনও সামান্য কিছু টাকা পরিশোধ কিংবা কোনো টাকা না দিয়েই কেবল আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। এভাবে আগের চিত্রই যদি বহাল থাকে, সেটা রাষ্ট্র সংস্কারের কাঙ্ক্ষিত প্রত্যাশার বিপরীত। আইনের ফাঁকফোকরে আগের মতো যেন চলতে না পারে, সে জন্য ক্ষমতাশীলদের ব্যবস্থা নিতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান গণমাধ্যম কে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে নির্বাচন করা একটি সাময়িক সমাধান। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য এসব সংসদ সদস্য ঋণ পরিশোধ বা পুনঃতপশিলের মাধ্যমে নিয়মিত করার উদ্যোগ নেবেন বলে আশা করি। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সোচ্চার থাকবেন– আমরা সেটাও প্রত্যাশা করি।’

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।