সালাহউদ্দিন আহমেদ। ফাইল ছবি
চট্টগ্রামের চন্দনপুরায় শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমান–এর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালানো সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের একটি গ্রুপকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তবে কৌশলগত কারণে এখনই তাদের নাম প্রকাশ করছে না পুলিশ।
রোববার সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই মাস আগে একটি সন্ত্রাসী চক্র এক শীর্ষ ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। বিষয়টি পুলিশ কমিশনারের নজরে আনা হলে সংশ্লিষ্ট বাসায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। এতে সুবিধা করতে না পেরে একই গ্রুপ আবারও ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজাদের বাহিনীর সদস্যরা এ হামলায় জড়িত থাকতে পারে। ওই বাহিনীর সদস্য মো. রায়হান ও বোরহানের নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। তাদের গ্রেপ্তারে নানামুখী অভিযান চলছে। তবে রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের ভাই সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান একই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। পরিবার নিয়ে তারা চন্দনপুরার ওই বাসায় বসবাস করেন। ঘটনার পর থেকে পরিবারটি চরম আতঙ্কে রয়েছে বলে জানা গেছে।
শনিবার ভোর ৬টার দিকে কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে সশস্ত্র হামলার এ ঘটনা ঘটে। ভারী অস্ত্রের গুলিতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
