সোমবার, ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তারেক রহমানের শপথে দিল্লির বার্তা- ওম বিড়লাকে পাঠাচ্ছে ভারত, মোদি ব্যস্ত মাখোঁর সঙ্গে বৈঠকে

ডেস্ক রিপোর্ট
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ ১০:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের রাজনীতির নতুন অধ্যায় শুরু হতে যাচ্ছে। তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে দিল্লির উপস্থিতি নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ। ভারতের পক্ষ থেকে এ অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করবেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা।
রোববার এক বিবৃতিতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশের শপথ অনুষ্ঠানে স্পিকারের অংশগ্রহণ দুই দেশের ‘গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্ব’-এর প্রতিফলন। এতে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রের সম্পর্কের দৃঢ়তা ও পারস্পরিক আস্থার বার্তাও রয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রাপথে ভারতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
মোদি কেন আসছেন না?
কূটনৈতিক সূত্র বলছে, ঢাকার আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে একই দিনে মুম্বাইয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ-র সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক থাকায় তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম WION জানায়, নির্ধারিত কূটনৈতিক সূচির কারণেই মোদির অনুপস্থিতি—তবে স্পিকার ও শীর্ষ কূটনীতিককে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততারই ইঙ্গিত বহন করে।
১৩ দেশের আমন্ত্রণ, কূটনীতিতে জমজমাট ঢাকা
আগামী মঙ্গলবার শপথ নেবে নতুন মন্ত্রিসভা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বের ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তালিকায় রয়েছে—
চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান।নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের আলোচনার ভিত্তিতেই এই কূটনৈতিক আমন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে রাজধানী ঢাকায় তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক কূটনীতির এক ব্যতিক্রমী আবহ।
ভেতরে-বাইরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন-
তবে সবকিছু এত মসৃণ নয়। দেশের বিরোধী জোট—জামায়াত-এনসিপি—ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর বিরোধিতা করছে। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে তর্ক-বিতর্ক।
এদিকে ফেব্রুয়ারিতে আয়োজিত ‘ইন্ডিয়া–এআই ইমপ্যাক্ট সামিট’-এ মাখোঁ ছাড়াও ব্রাজিল, নেদারল্যান্ডস ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ প্রায় ২০ দেশের শীর্ষ নেতার অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। সেই সম্মেলনের ফাঁকেই মোদি–মাখোঁ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের শপথ শুধু একটি সরকারের আনুষ্ঠানিক সূচনা নয়—এটি হয়ে উঠছে দক্ষিণ এশিয়ার কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণের সূচনাবিন্দু। ঢাকা এখন অপেক্ষায়—কে কে থাকছেন ঐতিহাসিক সেই মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।