রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন ভারতের হাই কমিশনার প্রণয় ভার্মা।
বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আভাস দিলেন ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে তিনি জানান, পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা ও জনগণের কল্যাণকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সহযোগিতা আরও গভীর করতে চায় ভারত।
তিনি বলেন, নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার প্রত্যাশা ভারতের দীর্ঘদিনের। বৈঠকে সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি জোর দেন—ইতিবাচক, গঠনমূলক ও ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দুই দেশ একসঙ্গে এগোতে প্রস্তুত।
প্রণয় ভার্মার ভাষায়, নির্বাচনের পর থেকেই ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। ১৩ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান–কে অভিনন্দন জানান এবং একই দিনে টেলিফোনে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলাপও হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে ঢাকায় আসেন ওম বিড়লা। সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন এবং নরেন্দ্র মোদির শুভেচ্ছা বার্তা ও চিঠি তারেক রহমানের হাতে তুলে দেন।
হাইকমিশনার বলেন, এসব কূটনৈতিক যোগাযোগ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়—বরং ঐতিহাসিক বন্ধনের ওপর দাঁড়িয়ে বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার স্পষ্ট বার্তা। একই সঙ্গে একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ভারতের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। সব মিলিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে বইছে নতুন উষ্ণতার হাওয়া। পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্ক যে আরও গতিশীল হতে যাচ্ছে—প্রণয় ভার্মার বক্তব্যে সেই আশারই প্রতিফলন মিলেছে।
