সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
জাতীয় সংসদের গম্ভীর প্রাঙ্গণে যেন ভেসে উঠল এক আলোকিত আগামী দিনের প্রতিচ্ছবি—যেখানে প্রতিটি নারীর চোখে জ্বলে ওঠে সমান সুযোগের দীপ্তি, আর শিক্ষার আলো ছড়িয়ে পড়ে ভালোবাসার মতোই গভীর এক অঙ্গীকারে। সেই স্বপ্নকেই শব্দে রূপ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য ইকরামুল বারী টিপুর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার নারী শিক্ষার প্রসার এবং নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। তার কণ্ঠে ছিল এক আত্মবিশ্বাসী প্রতিশ্রুতি—যেন প্রতিটি নারীর পথচলা হবে সমান অধিকার আর সম্ভাবনার উজ্জ্বল আলোয় ভরা।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি উপজেলা সদরে একটি করে মহিলা কলেজ সরকারিকরণের বিষয়টি সরকার ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে। যেন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও কোনো মেয়ে শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়—এই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলছে পরিকল্পনা।
তিনি আরও বলেন, বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলাগুলোতে নারী শিক্ষার প্রসারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ, প্রতিটি শিক্ষিত নারীই একটি আলোকিত পরিবারের, এমনকি একটি আলোকিত সমাজের ভিত্তি।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, মান্দা থানা আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজসহ দেশের অন্যান্য উপজেলার উপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারিকরণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে তা বাস্তবায়ন করা হবে বিদ্যমান নীতিমালা ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্থানের আলোকে—পরিকল্পিত ও ধাপে ধাপে।
তার কথায় যেন স্পষ্ট হয়ে উঠল—নারীর শিক্ষা শুধু একটি নীতি নয়, এটি এক গভীর ভালোবাসা, এক অদম্য অঙ্গীকার। আর সেই অঙ্গীকারের হাত ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ—যেখানে প্রতিটি নারী নিজস্ব স্বপ্নে, নিজস্ব আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে গড়ে তুলবে আগামীর নতুন ইতিহাস।
