ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না বাংলাদেশ। ফাইল ছবি: এএফপি
ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত কেবল ক্রীড়াঙ্গন নয়, এটি কূটনীতি, নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও দীর্ঘমেয়াদি ক্রিকেট পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইস্যু। সিদ্ধান্তটি নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে তাৎক্ষণিক মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও, ধারণা করা হচ্ছে উচ্চ পর্যায়ে এর প্রভাব থেকে যাবে ভবিষ্যতেও।
প্রশ্ন হচ্ছে এমন সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ কী পেতে পারে, আর কী হারাতে পারে? সম্ভাব্য পরিস্থিতি বুঝতে আগের বয়কটের ঘটনাগুলোর আশ্রয় নেওয়া যাক। শুরুতেই দেখা যাক, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগে এমন ঘটনা কেন ঘটেছে এবং সেগুলোর প্রভাব কেমন ছিল।
বয়কটের ইতিহাস: কে, কখন, কেন
১৯৯৬: আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বয়কট বা ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর সবচেয়ে আলোচিত উদাহরণ ১৯৯৬ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ।
সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা তখন গৃহযুদ্ধের মধ্যে ছিল। আসর শুরুর দুই সপ্তাহ আগে ৩১ জানুয়ারি কলম্বোয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দপ্তরে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়। বিবিসির তখনকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই হামলায় নিহত হন ৫৩, আহতের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪০০ জন।
বিশ্বকাপের আগে এমন ঘটনা অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ায়। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, অন্যদের মাঝে আস্থা জাগাতে অপর দুই সহ-আয়োজক ভারত ও পাকিস্তানের যৌথ একাদশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলে। কিন্তু এমন উদ্যোগও অস্ট্রেলিয়া এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্বেগ কমাতে কাজে দেয়নি। স্বাগতিকদের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে তারা কলম্বো যেতে অস্বীকৃতি জানায়। ওয়াকওভারের কারণে তারা সে ম্যাচগুলোতে পয়েন্ট হারায়।
পরবর্তী প্রভাব: ওই আসরের ফাইনাল ম্যাচ হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরে। অস্ট্রেলিয়াকে ৭ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অরবিন্দ ডি সিলভা ও সনাথ জয়সুরিয়ার শ্রীলঙ্কা। কিন্তু স্বাগতিক দেশে (সহ-আয়োজক) ম্যাচ বয়কটের ঘটনা আসর শেষেও আলোচনায় ছিল। প্রাথমিকভাবে প্রশ্ন ওঠে টুর্নামেন্টের ভারসাম্য ব্যাহত হওয়া নিয়ে। পরে আইসিসি নিরাপত্তা মূল্যায়নকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক করে।
তবে বড় প্রভাব সামনে আসে আসর শেষের পাঁচ মাস পর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রাপ্য ৭৫ হাজার ডলার আটকে দেয় বিশ্বকাপের আয়োজক পিলকম (পাকিস্তান, ইন্ডিয়া, শ্রীলঙ্কা যৌথ ব্যবস্থাপনা কমিটি)। অস্ট্রেলিয়ার কাছে থেকেও একই পরিমাণ অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই বিশ্বকাপের পৃষ্ঠপোষক ছিল আইটিসি। ১৯৯৬ সালের ৬ আগস্ট ইএসপিএন ক্রিকইনফো তাদের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, ম্যাচ বয়কটের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২৫০ মিলিয়ন রুপি আদায়ের দাবি তুলেছিল প্রতিষ্ঠানটি।
এ নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) তৎকালীন সভাপতি ইন্দ্রজিৎ সিং বিন্দ্রা বলেছিলেন, কলম্বোতে নির্ধারিত ম্যাচ খেলতে অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ অস্বীকৃতি জানানোয় শ্রীলঙ্কা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতিতে পড়ে। এ কারণে দেশ দুটির প্রাপ্য অর্থ আটকে দেওয়া ও আদায়ের সিদ্ধান্ত হয়। শেষ পর্যন্ত অর্থ আদায় হয়েছিল কি না সে তথ্য উল্লেখ করেনি ইএসপিএন ক্রিকইনফো।
২০০৩-এর জবাব ২০০৯-এ
দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়া মিলে বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছিল ২০০৩ সালে। উজডেন সাময়িকী ও ইএসপিএন- এর তথ্য অনুযায়ী, জিম্বাবুয়েতে ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ইংল্যান্ড। আর কেনিয়ায় খেলেনি নিউজিল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের ম্যাচ বয়কটের কারণ ছিল রাজনৈতিক। জিম্বাবুয়ের তৎকালীন শাসক ছিলেন রবার্ট মুগাবে আর যুক্তরাজ্যে টনি ব্লেয়ার। এক সময়কার ব্রিটিশ উপনিবেশ জিম্বাবুয়ে ভূমি সংস্কার কর্মসূচি হাতে নিলে মুগাবে ও ব্লেয়ার প্রশাসনের মধ্যে কূটনৈতিক বৈরীতা দেখা দেয়।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুগাবে অভিযোগ করেছিলেন ব্লেয়ারের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ সরকার জিম্বাবুয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। অন্যদিকে, ব্লেয়ার মুগাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং শ্বেতাঙ্গ কৃষকদের ওপর হামলার নিন্দা জানান। পরে জিম্বাবুয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয় এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে হারারেতে বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানায় ইংল্যান্ড।
অন্যদিকে, নিরাপত্তাজনিত কারণে নিউজিল্যান্ড নাইরোবিতে গিয়ে কেনিয়ার মুখোমুখি হতে রাজি হয়নি। কারণ, ম্যাচের কয়েক মাস আগে মোম্বাসায় বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড দুই দলই তাদের ম্যাচ হারারে ও নাইরোবি থেকে সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু আইসিসি তা প্রত্যাখ্যান করে জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়াকে ওয়াকওভার দেয়। ইংল্যান্ড প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নেয়। নিউজিল্যান্ড সুপার সিক্সে উঠেছিল।
পরবর্তী প্রভাব: দুই দেশের সরকারের দ্বন্দ্বের জের সরাসরি খেলার মাঠে গড়িয়েছিল। মুগাবে ও টনি ব্লেয়ার বিভিন্ন সময় নিজেদেরকে ক্রিকেটের ভক্ত হিসেবে দাবি করেছিলেন। কিন্তু সরকারে থাকাকালে দুজনই তাদের রাজনৈতিক বার্তার মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন ক্রিকেটকে। অন্যদিকে আইসিসিও ‘রাজনীতি বনাম খেলা’ বিতর্কে পড়ে।
২০০৯ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্বাগতিক ছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু আগের বছরই ইংল্যান্ডে না যাওয়ার ঘোষণা দেয় জিম্বাবুয়ে। দ্য গার্ডিয়ানের ২০০৮ সালের ৪ জুলাইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাম প্রত্যাহারের কারণ হিসেবে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের চেয়ারম্যান পিটার চিংগোকা বলেছিলেন, খেলার বৃহত্তর স্বার্থে তারা এটি করেছেন। পাশাপাশি তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছিলেন, ব্রিটিশ সরকার খেলোয়াড়দের ভিসা নাও দিতে পারে। তাই তারা অনাহূত অতিথি হতে চান না।
জিম্বাবুয়ের সরে দাঁড়ানোর ফলে স্কটল্যান্ড ওই বিশ্বকাপে অংশ নেয়। বাংলাদেশ বয়কট করায় ভারতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও শূন্যস্থান পূরণের জন্য আলোচনায় আছে স্কটিশদের নাম।
বাংলাদেশের কী ক্ষতি, কী লাভ
আর্থিক দিকের সুনির্দিষ্ট কিছু প্রভাব পড়বেই। যেমন বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ বাবদ যে ফি পেয়ে থাকে প্রতিটি দল, সেটা পাবে না বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের না থাকায় এবারের আসরে যদি টিভি স্বত্ব থেকে রাজস্ব কম আসে তাহলে তার প্রভাব পড়বে বার্ষিক অনুদানে।
এর বাইরে যেসব পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান আইসিসি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাবদ চুক্তি করেছে, তাদের কাছ থেকেও কাঙ্ক্ষিত অর্থ পাবে না বিসিবি। এর বাইরে ক্রিকেটারদের ম্যাচ সেরার পুরস্কার থেকে অন্যান্য পুরস্কারেরও আর্থিক ক্ষতি থাকবে।
আসন্ন বিশ্বকাপের সেরা ১০টি দল ২০২৮ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের র্যা ঙ্কিং ৯ নম্বরে। নিচে আছে আফগানিস্তান, আয়ারল্যান্ড, জিম্বাবুয়ে, নেদারল্যান্ডস আর স্কটল্যান্ড। তারা যদি র্যা ঙ্কিংয়ে ওপরে চলে যায়, তাহলে পরের টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে নিশ্চিতভাবেই বাছাই পর্ব খেলতে হবে।
প্রশ্ন উঠতে পারে তাহলে লাভ কোথায়? প্রথম উত্তর হলো- নিরাপত্তা। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলও নিরাপত্তার বিষয়টিতে জোর দিয়েছেন।
ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক শেষে আসিফ নজরুল বলেন, ‘আমাদের যে নিরাপত্তা ঝুঁকি ভারতে খেলার ক্ষেত্রে, সেই নিরাপত্তা ঝুঁকি পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটে নাই। আমাদের যেই নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, এটা কোনো বায়বীয় বিশ্লেষণ বা ধারণা থেকে হয় নাই। এটা একটা সত্যিকারের ঘটনা থেকে হয়েছে। যেখানে আমাদের দেশের একজন সেরা খেলোয়াড়কে, উগ্রবাদীদের কাছে মাথা নত করে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড তাঁকে ভারত থেকে বের করে দিয়েছে- সোজা কথা, বের করে দিতে বলেছে।’
দ্বিতীয় বিষয়টি কূটনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক জয় সংক্রান্ত। এর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলামের বক্তব্যে। বৃহস্পতিবার তিনি বলেছেন, ‘আমরা এখনও হাল ছেড়ে দিচ্ছি না। আবার আজকে (শুক্রবার) যোগাযোগ করব আরো কিছু জিনিস নিয়ে এবং চেষ্টা করে যাচ্ছি যেন আমাদের ছেলেরা বিশ্বকাপ খেলতে পারে।’
আমিনুল ইসলাম এরপরই বলেন, ‘আমাদের একটাই চাহিদা, আমরা বিশ্বকাপ খেলতে চাই। এই মুহূর্তে আমরা ভারতে যেতে চাই না, আমরা শ্রীলঙ্কার মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে চাই।’ শেষ মুহূর্তে ভেন্যু বদল করে যদি শ্রীলঙ্কায় দেওয়া হয়, ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে সেটি একটি ‘জয়’ হতে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ সমর্থকরা।
যা হতে পারতো-
কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ক্রিকেট ঢুকে পড়ার সবচেয়ে বড় উদাহরণ ভারত ও পাকিস্তান। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ দুই দেশের মাধ্যমেই ১৯৮৭ সালে ‘ক্রিকেট কূটনীতি’ বেশ পরিচিতি পায়।
সময় কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ জিয়া-উল-হক দুই দেশের মধ্যকার একটি টেস্ট ম্যাচকে বেছে নেন। ভারত সফরে তাঁর হঠাৎ স্টেডিয়ামে উপস্থিত হওয়ার ঘটনাকে তখন বর্ণনা করা হয়েছিল, ‘শান্তির জন্য ক্রিকেট’ হিসেবে।
যদিও সেই কূটনীতির উষ্ণতা বেশিক্ষণ টেকেনি। ম্যাচ চলাকালেই জিয়া-উল-হক ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীকে বলেছিলেন, পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক বোমা আছে। আলজাজিরা লিখে, এর জেরে পরে দুই দেশের সীমান্তে ফের উত্তেজনা দেখা দেয়।ক্রিকেটকে কেন্দ্র করে ২০০৩ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তানের কূটনীতি ফের চাঙ্গা হয়েছিল। তখন পাকিস্তান ও ভারতে দুটি করে টেস্ট সিরিজ অনুষ্ঠিত হয়। ‘দ্য আনকোয়ায়েট ওয়ানস: আ হিস্ট্রি অব পাকিস্তান ক্রিকেট’ বইয়ের লেখক ওসমান সামিউদ্দিনের মতে, দুই দেশের সম্পর্ক ভালো থাকলে, তা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে প্রথমেই সামনে আসে- ক্রিকেট। আবার খারাপ হলে, ক্রিকেটকেই ব্যবহার করা হয়।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রিকেট কূটনীতির কৌশল ভুল ছিল বলে মনে করেন সৈয়দ আশরাফুল হক। বিসিবির এই সাবেক সাধারণ সম্পাদক এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলেরও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন। ইংরেজি গণমাধ্যম দ্য ডেইলি স্টারকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, কখনোই শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান নেওয়া উচিত নয়। সবকিছুর মধ্যেই সমঝোতার সুযোগ এবং বিরোধীদের সঙ্গে সংলাপের ক্ষেত্র থাকা দরকার।
সৈয়দ আশরাফুল হক বলেন, খেলাধুলায় কেন কঠোর অবস্থান দেখাতে হবে? আইসিসি নিরাপত্তা মূল্যায়ন করেছে, এটি তাদের টুর্নামেন্ট। তারা যদি বলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঠিক আছে তাহলে আমাদের সেটি মেনে নিতে হবে। যদি আমাদের সরকার তা না মানে, তাহলে কূটনৈতিক পথ তো সব সময়ই খোলা থাকে।
বিসিবি সভাপতি খুব সহজেই ভারতীয় বোর্ডকে জিজ্ঞেস করতে পারতেন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে কি না। তিনি কি সেটা করেছেন? অথবা আমাদের সরকার কি ভারত সরকারকে জিজ্ঞেস করেছে যে তারা হুমকি থেকে সুরক্ষা দিতে পারবে কি না?
বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের ব্রিফিংয়ে এই প্রশ্নের উত্তরের ইঙ্গিত ছিল। সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, নিরাপত্তা উদ্বেগ বিবেচনায় নেওয়ার ক্ষেত্রে আইসিসি সুবিচার করেনি, ভারত সরকারও তাদের দিক থেকে বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নিরাপত্তা নিয়ে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেনি।
