বুধবার, ৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারত তেল কেনা বন্ধের কথা বলেনি: রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভ। ফাইল ছবি: আনাদোলু এজেন্সির সৌজন্যে

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির পর ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, নরেন্দ্র মোদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু মঙ্গলবার মস্কোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নয়াদিল্লি তেল কেনা বন্ধের বিষয়ে এখনও তাদের কিছু জানায়নি।

ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে মঙ্গলবার মস্কোতে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভের কাছে জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা। তখন পেশকভ বলেন, এ বিষয়ে (তেলা কেনা বন্ধ) নয়াদিল্লি অনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিভিন্ন সময় উল্লেখ করেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধ থামাতে হলে ভারতকে রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় মিত্রদের দাবি, ভারতের কাছে জ্বালানি বিক্রির অর্থ দিয়ে মস্কো যুদ্ধ চলাচ্ছে। কিন্তু নয়াদিল্লি এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত বছর শাস্তিমূলক ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ওয়াশিংটন। একইসঙ্গে পারস্পরিক শুল্কও ২৫ শতাংশ করা হয়। দুটি মিলিয়ে ভারতের পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ হয়।

শুল্ক ঘিরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ফাটল তৈরির কয়েক মাস পর সোমবার ট্রাম্প জানান, তিনি ভারতের সঙ্গে একটি বাণিজ্য চুক্তি করেছেন। এর আওতায় দেশটির পণ্যের ওপর থেকে ১৮ শতাংশ শুল্ক কমানো হবে। নরেন্দ্র মোদিও রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

একইদিন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে পোস্ট দিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেবল শুল্ক হ্রাসের বিষয়টি জানান। রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধের প্রতিশ্রুতি সংক্রান্ত ট্রাম্পের দাবির বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ ছিল না।

২০২৪ সালে ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির প্রায় ৩৬ শতাংশ সরবরাহ করেছিল রাশিয়া। তবে মার্কিন শুল্ক আরোপের পর এর পরিমাণ মাসে ৩৮ শতাংশ কমে যায় বলে এক প্রতিবেদনে জানায় দেশটির গণমাধ্যম। কিন্তু বিষয়টি আবারও আলোচনায় আসে গত বছরের শেষ দিকে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নয়াদিল্লি সফরের সময়। তখন তিনি নরেন্দ্র মোদিকে নিরবিচ্ছিন্নভাবে তেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দেন।

দুই দেশের মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ৬৮ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছিল। যা করোনাকালের আগের সময়ের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি। এই বাণিজ্যের সিংহভাগই ছিল মস্কোর জ্বালানি বিক্রিকে ঘিরে। বিপরীতে রাশিয়ায় ভারতের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৫ বিলিয়ন ডলারের কম।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।