শনিবার, ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মৃত্যুর দুয়ার ছুঁয়ে ফেরা—আইসিইউ পেরিয়ে কেবিনে মির্জা আব্বাস,ধীরে ধীরে ফিরছে আশার আলো

শামিহা রেজা
এপ্রিল ৩, ২০২৬ ৭:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস

দীর্ঘ ১৯ দিনের নিবিড় পর্যবেক্ষণ আর জীবন-মৃত্যুর টানাপোড়েন শেষে অবশেষে কিছুটা স্বস্তির খবর—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আইসিইউ থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালের নিউরো ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে সময় যেন থমকে ছিল তাঁর জন্য,আর প্রতিটি মুহূর্তে ছিল অনিশ্চয়তার ভারী ছায়া।

শুক্রবার বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা.রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান,ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছেন তিনি। সকালে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে—সেই কণ্ঠে ছিল স্বস্তির ছোঁয়া আশার মৃদু আলো।

তিনি বলেন,“আলহামদুলিল্লাহ,অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁকে আইসিইউ থেকে কেবিনে নিয়েছেন।এখন কেবিনেই চলবে উন্নত ফিজিওথেরাপি, তবে নিবিড় পর্যবেক্ষণ এখনও অব্যাহত থাকবে।
মস্তিষ্কে জটিল অস্ত্রোপচারের পর এই পথচলা সহজ নয়—প্রতিটি দিন যেন নতুন লড়াই। চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে এগোচ্ছেন তিনি সুস্থতার পথে। পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে—এই কঠিন সময় পাড়ি দিতে যেন সবার ভালোবাসা আর প্রার্থনা পাশে থাকে।

গত ১৫ মার্চ ঢাকার বসুন্ধরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয় সিঙ্গাপুরে।তারও আগে,১১ মার্চ রমজানের এক শান্ত ইফতারের মুহূর্তে শাহজাহানপুরের বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি—হঠাৎ নিস্তব্ধ হয়ে যায় চারপাশ। দ্রুত তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। দেশের সেরা নিউরো বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে তাঁর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

এখন সেই সংকটময় সময় পেরিয়ে ধীরে ধীরে ফিরছে আলো—একটি আশার গল্প,একটি জীবনের লড়াই, আর ভালোবাসা ও প্রার্থনার নিঃশব্দ শক্তির।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।