বৃহস্পতিবার, ১৫ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাজধানীতে আইনজীবীকে পিটিয়ে হত্যায় জড়িত এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি

স্টাফ রিপোর্টার
জানুয়ারি ৩, ২০২৬ ২:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আইনজীবী নাঈম কিবরিয়া

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আইনজীবী নাঈম কিবরিয়াকে পিটিয়ে হত্যার পর দুদিনেও জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার কাজ এগিয়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা।

ভাটারা থানার ওসি ইমাউল হক সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনার পরপরই পুলিশ জড়িতদের শনাক্তের কাজ শুরু করেছে। শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সম্ভাব্য স্থানগুলোয় অভিযান চালানো হচ্ছে।

গত বুধবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাঈমকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। পুলিশ বলছে, ঘটনার সময় তিনি প্রাইভেটকার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার গাড়ি একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়েছে– এমন অভিযোগ তুলে তাকে পেটানো হয়। তবে স্বজনের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ‘মব’ তৈরি করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এর আগে পাবনা সদরে তার বাড়িতে হামলা এবং তাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

নিহতের খালাতো ভাই রাকিবুল ইসলাম শামীম গণমাধ্যম কে বলেন, ‘পূর্বাচলে আমার বাসায় এসে উঠেছিল নাঈম। বুধবার বিকেল ৩টার দিকে একই গাড়িতে দুজন বসুন্ধরা এলাকায় আমার ভাইয়ের বাসায় গিয়েছিলাম। রাতে ভাই–ভাবি ও আমরা দুজন দুটি গাড়ি নিয়ে চা খেতে বের হই। তখন নাঈম বলে, আমি চা খাব না, ভাইয়ার গাড়ি নিয়ে একটু ঘুরে আসি। এরপর রাত পৌনে ১০টার দিকে তাকে এল–ব্লকে রেখে আমরা বিটুমিন গেটের দিকে যাই। রাত ১০টা ৮ মিনিটে নাঈমের ফোন নম্বর থেকে একটি কল আসে। কিন্তু ওপাশ থেকে কেউ কথা বলেনি। আমি বারবার জিজ্ঞেস করেছি, তুই কোথায়? কোনো উত্তর পাইনি। এরপর ওর নম্বরে বারবার কল দিলেও ধরেনি। পরে বসুন্ধরার একজন নিরাপত্তাকর্মী ফোন করে জানান, নাঈম বসুন্ধরার ১৫ নম্বর সড়কের ওয়ালটন বাড়ি এলাকায় অচেতন অবস্থায় পড়ে আছে। আমরা দ্রুত গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রাকিবুল ইসলাম বলেন, সম্প্রতি দুই–তিন দিন নাঈমের খোঁজে তার পাবনার বাড়িতে মোটরসাইকেল নিয়ে যায় কিছু যুবক। সেখানে পরিবারের কেউ ছিলেন না। তবে প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নাঈমকে পেলে মেরে ফেলা হবে– এমন হুমকি দেয় তারা। এ কারণে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যা বলেই ধারণা করা হচ্ছে। বসুন্ধরা এলাকায় পাবনার অনেকে থাকেন। এমন হতে পারে যে, তেমন কেউ নাঈমকে চিনতে পেরেছেন। এরপর মব সৃষ্টি করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলায় জামিন নিতে ঢাকায় এসেছিলেন নাঈম।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।