সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আবহ তৈরি করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ২৬ মার্চকে সামনে রেখে দলটি ঘোষণা করেছে দুই দিনের বিস্তৃত কর্মসূচি—যেখানে রয়েছে শ্রদ্ধা, স্মরণ আর শক্তি প্রদর্শনের মিশেল।
রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি তুলে ধরেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তার বক্তব্যে স্পষ্ট—স্বাধীনতার চেতনা নতুন করে জাগিয়ে তুলতেই এই আয়োজন।
কর্মসূচির মূল আকর্ষণগুলো—
🔹 ২৬ মার্চ, স্বাধীনতার প্রভাতেই সূচনা
ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে দেশের প্রতিটি দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দিনটি।
🔹 জাতির বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা-
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার পর বিএনপির পক্ষ থেকে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে।
🔹 দলীয় নেতৃত্বের স্মৃতির প্রতি সম্মান-
ঢাকায় ফিরে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন নেতাকর্মীরা।
🔹 দোয়া ও ধর্মীয় আয়োজন-
মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অংশ নেবেন দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।
🔹 ২৫ মার্চের আলোচনা সভা-
একদিন আগে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা—যেখানে স্বাধীনতার ইতিহাস ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে হবে বিশ্লেষণ।
সব মিলিয়ে, এবারের কর্মসূচি শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়—বরং স্বাধীনতার চেতনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উপস্থিতি জোরদারের এক সুসংগঠিত প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।
