সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবির কড়া নজরদারি সম্ভাব্য পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে দিন-রাত সতর্ক অবস্থানে সীমান্তরক্ষীরা

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
জুন ৭, ২০২৬ ৭:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সম্ভাব্য পুশইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশের আশঙ্কা মাথায় রেখে সীমান্তজুড়ে জোরদার করা হয়েছে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম। বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন নজরদারিতে, ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দৌলতপুর উপজেলার প্রায় ৪৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তজুড়ে দিন-রাত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ভারতীয় অংশের প্রায় ১৮ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া থাকলেও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন বিওপিতে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি টহল কার্যক্রমও আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাহিনীটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সীমান্তজুড়ে নজরদারির পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে এ সীমান্ত দিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পুশইনের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গেছে।

এদিকে, সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ রোধে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত মাইকিং, সচেতনতামূলক প্রচার এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা সীমান্ত লঙ্ঘনের চেষ্টা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজ মন্ডল বলেন, পুশইন ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকার মানুষ বিজিবির সঙ্গে থেকে সহযোগিতা করছেন। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কুষ্টিয়া ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, দৌলতপুর সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা টহল, মাইকিং ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে আরও জনবল বাড়ানো হবে। সীমান্ত সুরক্ষার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।

তিনি আরও বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার বাংলাদেশি নাগরিকরা আমাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন। তারা পালাক্রমে টহল কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। তাদের এই সহযোগিতার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

সীমান্তজুড়ে বিজিবির কঠোর নজরদারি, স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফলে দৌলতপুর সীমান্ত বর্তমানে রয়েছে সর্বোচ্চ সতর্কতার আওতায়। সীমান্ত সুরক্ষায় এই যৌথ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।