ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে গাছের চারা রোপণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও
ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি পার্কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পরিদর্শনকালে সাফারি পার্কের মূল ফটক প্রাঙ্গণে প্রধানমন্ত্রী একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন। পরে তিনি পার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। একইসঙ্গে স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
এর আগে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইট কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে তিনি কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে গিয়ে তার বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন।
সেখানে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাজেটে প্রতিটি ঘরে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সবকিছুর লক্ষ্য একটিই—জনগণের সেবা। দেশের মালিক জনগণ; কোনো পরিবার বা কোনো দল নয়। জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করতে যে বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে, এর বিরোধিতা করা মানে জনগণের স্বার্থের বিরোধিতা করা।
তিনি আরও বলেন, “সাধারণত প্রতিটি বাজেটের পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। তবে বর্তমান সরকারের বাজেট ঘোষণার পর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়েনি।
দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ার নতুন অঙ্গীকারের বার্তা দিল সরকার।
