ফাইল ছবি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডার ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে এ জিডি করা হয়।
জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোহাম্মদ আরাফাতুল ইসলাম বলেন, ওই দিনের ঘটনা উল্লেখ করে জিডি করা হয়েছে। কোনো ঘটনা ঘটলে আমরা তা জিডি করে রাখি। এটি মামলা নয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে একদল লোকজন নিয়ে সরাইল থানায় গিয়ে ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়ার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। ওসির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতি এবং দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনের সময় পুলিশি নিরাপত্তা না দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি এ বাকবিতণ্ডায় জড়ান।
এ সময় রুমিন ফারহানার সঙ্গে থানায় যাওয়া এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, ওসি তাঁর কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তবে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন ওসি। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তিকে রুমিন ফারহানা শিখিয়ে থানায় এনেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে রুমিন ফারহানা ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়াকে উদ্দেশ করে বলেন, তোমাকে আওয়ামী লীগের চোর বলেন।
রুমিন ফারহানার অভিযোগ অস্বীকার করে ওই দিন সাংবাদিকদের ওসি মনজুর কাদের ভূঁইয়া বলেন, সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শত শত লোক নিয়ে থানায় এসে অস্থিরতা সৃষ্টি করেন এবং মব তৈরি করেন। কিছু লোককে শিখিয়ে আজেবাজে কথা বলার জন্য নিয়ে আসেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ওসি আরও বলেন, রুমিন ফারহানা তাঁর বিরুদ্ধে ইটভাটা থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন। কিন্তু হাওরে সব ইটভাটা পানির নিচে। দুর্গাপূজায় পুরো থানা এলাকায় পুলিশ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছিল। তবে ওই সময় ব্যক্তিগতভাবে সংসদ সদস্যের সঙ্গে পুলিশের একটি দল রাখা কঠিন ছিল।
ঘটনাটি নিয়ে পুলিশের জিডি করার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও, জিডিতে কী কী অভিযোগ বা বক্তব্য উল্লেখ করা হয়েছে, তা বিস্তারিত জানা যায়নি।
