ফাইল ছবি
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং দলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছেন কুষ্টিয়াবাসী। এ প্রেক্ষাপটে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি এস এম গোলাম কবিরকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান দলের তৃণমূলের নেতাকর্মী ও তাঁর সমর্থকেরা।
তাঁদের প্রত্যাশা, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নির্বাচনে ত্যাগ, অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততাকে যথাযথ মূল্যায়ন করবেন।
দলীয় সূত্র ও সমর্থকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এস এম গোলাম কবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডায়েরি আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সময়ে কারাবরণ ও হামলা-মামলার শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। বিএনপির দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকা এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার কারণে তিনি কুষ্টিয়ার বিএনপিপন্থী নেতাকর্মীদের একটি অংশের কাছে আস্থাভাজন নেতা হিসেবে পরিচিত।
সমর্থকদের দাবি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত গোলাম কবিরের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা, ব্যক্তিত্ব ও সাবলীল আচরণ তাঁকে জেলা পর্যায়ের নেতৃত্বের জন্য যোগ্য দাবিদার করে তুলেছে। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
কুষ্টিয়ার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, দলকে সুসংগঠিত করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিএনপির সম্পৃক্ততা বাড়াতে পরীক্ষিত নেতৃত্বের বিকল্প নেই। তাঁদের মতে, এস এম গোলাম কবিরের মতো অভিজ্ঞ ও ত্যাগী নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলে জেলা বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
সমর্থকদের ভাষ্য, বিএনপির দুর্দিনে গোলাম কবির প্রতিকূলতার কাছে নতি স্বীকার না করে নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব, সৃজনশীলতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি নতুন করে আলোচনায় আসছে দলের নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের মধ্যে। তবে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে তাঁকে দেখতে চাওয়ার বিষয়টি মূলত তাঁর সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রত্যাশা।
এ অবস্থায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কুষ্টিয়াবাসীর প্রত্যাশা—জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নির্ধারণে এস এম গোলাম কবিরের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক অবদান বিবেচনায় নেওয়া হবে।
সমর্থকদের বিশ্বাস, যোগ্য নেতৃত্বের যথাযথ মূল্যায়নের মধ্য দিয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপি আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও জনসম্পৃক্ত হয়ে উঠতে পারে। তাঁদের প্রত্যাশা, এস এম গোলাম কবিরের নেতৃত্বে কুষ্টিয়া বিএনপি ফিরে পাবে তার কাঙ্ক্ষিত সাংগঠনিক গতি ও অতীতের গৌরব।
