বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঝিনাইদহে সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, তালিকায় বিএনপি সভাপতির ভাই-শ্যালক ও কর্মচারী

নিজস্ব প্রতিবেদক
অক্টোবর ১৩, ২০২৬ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়, স্বজনপ্রীতি ও আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের দাবি। তদন্তের দাবি স্থানীয় নেতাকর্মীদের। ফাইল ছবি

ঝিনাইদহে সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঘুষ-বাণিজ্য, স্বজনপ্রীতি, অনিয়ম এবং আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের অভিযোগ উঠেছে জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদের বিরুদ্ধে। প্রকাশিত ডিলার তালিকায় তাঁর ভাই, শ্যালকের স্ত্রী, আত্মীয়স্বজন এবং ব্যক্তিগত কর্মচারীর নাম থাকার অভিযোগ সামনে আসার পর জেলাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

অভিযোগকারীদের দাবি, সার ডিলার নিয়োগে যোগ্যতা ও সরকারি নীতিমালার চেয়ে রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি এবং অর্থ লেনদেনকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এমনকি আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য ও নিয়োগপ্রক্রিয়ার পূর্ণাঙ্গ নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে নতুন সার ডিলারদের তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন তথ্য-ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন মহলে ক্ষোভ দেখা দেয়।

নীতিমালা লঙ্ঘন ও জাল সনদের অভিযোগ

প্রকাশিত তালিকা এবং নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে উত্থাপিত অভিযোগ পর্যালোচনায় দেখা যায়, হরিণাকুণ্ডু উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নে সালেহা বেগম মহিলা কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক আনিচুরের স্ত্রী আনোয়ারা নাসরিন সার ডিলারশিপ পেয়েছেন। তাঁর মেয়ে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিমালার আলোকে তাঁর ডিলারশিপ পাওয়ার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

এ ছাড়া মনোনীত অনেক ডিলারের নিজস্ব উপযুক্ত সারগুদাম ও পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট এবং মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ডিলার তালিকা প্রস্তুতের অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের আমির হোসেনের নিজস্ব গুদাম ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সক্ষমতা না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে ডিলার হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি বা কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়নে ডিলারশিপ পাওয়া রাকিব হাসান বন্ধন সক্রিয় ছাত্রলীগ কর্মী বলে দাবি করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ আহমেদ।

হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নে ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও ৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপি পরিবারের সদস্য সাকিব হোসেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত ও চূড়ান্ত তালিকা যাচাই করে এ অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালিকায় সভাপতির ভাই-শ্যালক ও ব্যক্তিগত কর্মচারী

সার ডিলারদের তালিকায় রাজনৈতিক পরিচয় ও পারিবারিক সম্পর্কের বিষয়টি সামনে আসায় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, হরিণাকুণ্ডু উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির সভাপতি এম. এ. মজিদের ভাই আব্দুল লতিফ এবং জোড়াদহ ইউনিয়নে ওএমএস ডিলার লাল্টু মিয়া সার ডিলারশিপ পেয়েছেন।

মহেশপুর উপজেলায় উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হাসানের ভাই এবং জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার শ্যালক এহসান রেজার নাম তালিকায় রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একই উপজেলার পৌর এলাকায় স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে পরিচিত হাবিবুর রহমান বুল্লা, যাদবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য সবুর খান এবং বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নে শাকিল রিয়াজ শুভর নামও তালিকাভুক্ত হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নে জেলা বিএনপির সভাপতির শ্যালকের স্ত্রী সুরমা হাসান এবং শিমলা-রোকনপুর ইউনিয়নে তাঁর চাচাতো শ্যালক নাজমুল হক মিশুর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা চলছে।

এ ছাড়া ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটী ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে জেলা বিএনপির সভাপতির ব্যক্তিগত কর্মচারী আনোয়ার হোসেনকে সার ডিলার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, তিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য হিসেবে পরিচিত।

এসব নিয়োগে স্বজনপ্রীতি কিংবা রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করেছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করার দাবি উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে।

‘ত্যাগী নেতাকর্মীরা বাদ পড়েছেন’

নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দবির হোসেন উদ্দীন বিশ্বাস।

তিনি বলেন, মহেশপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আমার কাছে পাঁচজন প্রার্থীর রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চেয়েছিলেন। আমি সুনির্দিষ্ট ও নিরপেক্ষ তথ্য দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন দেখছি, আমরা যেন আবার সেই নৌকার তলে’ চাপা পড়েছি। এভাবে চললে বিএনপির রাজনীতি করার কোনো মানে হয় না। জেলা পর্যায় থেকে সব নিয়ন্ত্রণ করার কারণে ত্যাগী নেতাকর্মীরা বাদ পড়েছেন।

তাঁর বক্তব্যে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্থানীয় পর্যায়ের মতামত ও রাজনৈতিক পরিচয় যাচাইয়ের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষের বিষয়টি উঠে এসেছে।

মহেশপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা খালেদ সাইফুল্লাহও নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, আমার বাবা এই ইউনিয়ন বিএনপির একজন ত্যাগী নেতা। তিনি দীর্ঘদিন এই ইউনিয়নে সাব-ডিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৯ সালে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা আমার বাবার কাছ থেকে ডিলারশিপ কেড়ে নেন। এবার আমরা আশা করেছিলাম, কিন্তু পরিস্থিতি ভিন্ন হয়েছে। মোটা অঙ্কের অর্থবাণিজ্যের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিসহ অনেক অযোগ্য মানুষ নিয়োগ পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির কমিটিতে নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তিরাই এর সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা দলটিকে শেষ করে দিয়েছেন। পুরো মহেশপুর উপজেলা বিএনপি শেষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখনই হস্তক্ষেপ না করলে এবং তাঁদের না থামালে সব শেষ হয়ে যাবে। তাঁরা দলের কলঙ্ক। তাঁদের লাগাম টেনে ধরতে হবে।

তবে তাঁর উত্থাপিত অর্থ লেনদেন ও অযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়োগের অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

অভিযোগ অস্বীকার বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের

স্বজনপ্রীতি ও জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা।

তিনি বলেন, আমার শ্যালক নিজেই জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল পদে রয়েছেন, তাই তিনি আওয়ামী লীগ পরিবারের সদস্য—এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আর পুরো জেলার তালিকা কীভাবে বা কার মাধ্যমে হয়েছে, সে সম্পর্কে আমার কিছু জানা নেই।

অন্যদিকে, নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগের তীর উঠেছে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীরের দিকেও।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রদীপ্ত রায় দীপন বলেন, আমার কাছে কোনো সার ডিলারের চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন পৌঁছায়নি। বিষয়টি নিয়ে আমি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জেনে জানাচ্ছি।

এদিকে, সার ডিলারদের তালিকায় অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ এবং তা ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য জানতে ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক ও জেলা সার-বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি নোমান হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম. এ. মজিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা বাণিজ্যের অভিযোগ ঘিরে নতুন বিতর্ক

সার ডিলার নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি আরও আলোচনায় আসে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বাসিন্দা ও ঢাকা মহানগর ছাত্রদল নেতা রাফিকুল ইসলাম রাফি এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেনের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বলে জানা গেছে। পরবর্তী সময়ে ওই ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অভিযোগটি প্রকাশ্যে আসে। এর পরপরই রাফিকুল ইসলাম রাফিকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে রাফি বলেন, আমি সত্য তুলে ধরেছি। জেলা বিএনপির সভাপতি তাঁর ক্ষমতা ব্যবহার করে আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করিয়েছেন। তাতে কোনো দুঃখ নেই। আমরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আপসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ বুকে লালন করি। এই জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অধিকাংশ নেতা চরমভাবে দুর্নীতিগ্রস্ত। তাঁরা দলকে ধ্বংস করছেন। আমরা তা কোনোভাবেই হতে দেব না।

জেলা বিএনপির সভাপতি এম. এ. মজিদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, পাঁচ আগস্টের পরে জেলাজুড়ে সর্বোচ্চ চাঁদাবাজি করেছেন এই এম. এ. মজিদ। বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে ঢাকায় ফ্ল্যাট ব্যবসা করা মজিদ জেলায় আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সার ডিলারশিপের নিয়োগবাণিজ্য তার জ্বলন্ত উদাহরণ। তিনি একজন চাঁদাবাজ। তাঁর কাছে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের কোনো মূল্য নেই। আমাদের একটাই দাবি—‘মজিদ হটাও, ঝিনাইদহ বাঁচাও।

রাফিকুল ইসলাম রাফির বক্তব্যে জেলা বিএনপির নেতৃত্বের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ তোলা হলেও এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি। অভিযুক্ত জেলা বিএনপি সভাপতি এম. এ. মজিদের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি, জাল সনদ ব্যবহার এবং অর্থ লেনদেনের অভিযোগগুলো ঘিরে ঝিনাইদহে রাজনৈতিক বিতর্ক ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। অভিযোগকারীদের দাবি, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের বঞ্চিত করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও পারিবারিক পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

তবে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্য বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের ওপর নির্ভর না করে আবেদনপত্র, ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট, গুদামের মালিকানা ও সক্ষমতার নথি, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্ত এবং চূড়ান্ত যাচাই প্রতিবেদন পরীক্ষা করা জরুরি।

সার ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নথি যাচাই এবং অনিয়ম প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বক্তব্য গ্রহণ এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের মাধ্যমে পুরো নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের অবসান ঘটানোর দাবি উঠেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।