জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি-সংগৃহীত
ঢাকা-১৫ আসনের নির্বাচনী প্রচারে হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন জামায়াতে ইসলামীর নেতার কর্মীদের দেখতে গিয়েছিলেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মবের তীব্র নিন্দা জানাই। মব যেন এখানেই শেষ হয়। দুনিয়ার মানুষ এখন অনেক সচেতন, মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ।
জামায়াতের ভাষ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার মিরপুরের পীরেরবাগে দলটির নারী কর্মীদের নির্বাচনী বৈঠক চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে। তাদের উদ্ধারে স্থানীয় জামায়াত এবং শিবিরের নেতাকর্মীরা গেলে, তাদের ওপর হামলা করে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, জামায়াতের কিছু কর্মী বাড়ি–বাড়ি গিয়ে ভোটারদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। এতে স্থানীয় কয়েকজন বাধা দেন এবং জানতে চান যে কেন এসব সংগ্রহ করা হচ্ছে। এ নিয়ে তখন উভয়পক্ষে বাদানুবাদ হয়। এর জের ধরে সন্ধ্যায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া–পাল্টা ধাওয়া হয়।
শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতের কেউ যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে, তা দেখার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ রয়েছে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা দলের কোনো ধরনের এখতিয়ার নেই মব সৃষ্টি করার।
তিনি বলেন, সকলের প্রতি অনুরোধ জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন। জনগণকে শান্তিপূর্ণভাবে তার ভোট পছন্দের প্রতীকে দেওয়ার সুযোগ দিন। যিনিই নির্বাচিত হয়ে আসবেন, সকল রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব হবে তাকে সহযোগিতা করা। তাকে অভিনন্দন জানানো। কিন্তু যদি ১৫ বছরের কায়দায় নির্বাচনী ময়দানকে উল্টাপাল্টা করে দেওয়া হয়, তাহলে জাগ্রত যুবসমাজ ক্ষমা করবে না।
হামলার নিন্দা করেন জামায়াত আমির বলেছেন, যারা আমাদের ভাইদের গায়ে হাত তুলেছে, আমাদের মায়েদের গায়ে হাত তুলেছে, ওদের ঘরে কি মা-বোন নেই। মা-বোনদের প্রতি সামান্য সম্মান দেখানোর শিক্ষা নিশ্চয় তারা তাদের পরিবার থেকে পেয়েছে? যদি না পেয়ে থাকে তাহলে দুর্ভাগ্য।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে বলব, আপনারা সুষ্ঠু নির্বাচনের যে যে অঙ্গীকার করেছেন, তা বাস্তবায়নে আপনাদের দায়িত্ব অবশ্যই পালন করতে হবে। সবাইকে সমান সুযোগ-সুবিধা দিতে হবে। যারা সন্ত্রাস এবং দুর্বৃত্তপনা করবে- তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
