মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অপরাধীরা বেপরোয়া, শঙ্কাহীন, ৪৭ ঘণ্টায় ঢাকার চার স্থানে হামলা-ভাঙচুর-দখলচেষ্টা-লুটপাট, প্রশ্ন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ৫:৪৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ছবি: কোলাজ

মিরপুর-১, মোহাম্মদপুর, আদাবর ও ইসিবি চত্বর—রাজধানীর চার স্থান। ঘটনা ভিন্ন, প্রেক্ষাপটও ভিন্ন। কোথাও স্বাস্থ্যকেন্দ্র গুঁড়িয়ে দেওয়া, কোথাও জমি দখল ঘিরে সশস্ত্র হামলা, কোথাও বাড়ি দখলের চেষ্টা, আবার কোথাও স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট। মাত্র ৪৭ ঘণ্টার ব্যবধানে ঘটে যাওয়া এসব ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে মিরপুর-১ নম্বরে দরিদ্র মানুষের স্বাস্থ্য ও টিকাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৫০ বছরের পুরোনো রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা চালিয়ে দুই শতাধিক ব্যক্তি ভাঙচুর ও লুটপাট করে। সর্বশেষ শনিবার রাত ১১টার দিকে ইসিবি চত্বরে নিউগিনি প্রপার্টিজে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পর আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ও স্থাপনাতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। হামলাকারীরা কয়েকটি পিকআপে দলবদ্ধভাবে এসেছিল। তাদের কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।

এর আগে রাড্ডায় লুটপাটের প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর শনিবার বেলা ১১টার দিকে মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে ১৭ কাঠা জমি দখলকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। দুটি ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার।

একই দিন সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এর কাছাকাছি আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ে আটতলা একটি বাড়ি দখলের চেষ্টায় রামদা, চাপাতি ও পিস্তলসহ প্রায় ২০ জনের একটি দল হামলা চালায়। ওই ঘটনার ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়।

দুদিনেরও কম সময়ে রাজধানীর প্রায় ১৪ কিলোমিটারের মধ্যে এসব ঘটনায় জনমনে নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে—অপরাধীরা কি শঙ্কাহীন চিত্তেই এসব ঘটনা ঘটাচ্ছে?

ভিন্ন ভিন্ন কারণে ভিন্ন গ্রুপ চার স্থানে হামলা ও লুটপাটে জড়িত বলে জানা গেছে। অনেকের হাতে ছিল আগ্নেয়াস্ত্র। কেউ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা-ভাঙচুরে অংশ নেয়। শুধু রাজধানী নয়, দেশের বিভিন্ন এলাকায়ও প্রায়ই দলবদ্ধভাবে জমি দখলের চেষ্টা, হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনায় প্রাণহানিও ঘটছে।

পুলিশের সক্ষমতা ও ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছর এবং বর্তমান সরকারের সাত মাস পরও পুলিশ পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে কি না—এমন আলোচনা পুলিশ বাহিনীর ভেতরেও রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাঠপর্যায়ে দ্রুত আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় পুলিশের মধ্যে দ্বিধা দেখা যাচ্ছে। কোথাও কোনো অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অনেক পরে ঘটনাস্থলে যাচ্ছে পুলিশ। আবার কোথাও আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের। কেউ কেউ মব তৈরি করে পরিস্থিতি পাল্টানোর চেষ্টা করছেন।

পূর্ণ মনোবল নিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং মানুষের আস্থার জায়গায় পুলিশ এখনও পুরোপুরি যেতে পারেনি—এমন মতও রয়েছে। বাহিনীর ভেতরকার বিভিন্ন বিভাজনের প্রভাব মাঠপর্যায়ে পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। আবার অনেক জায়গায় এর ভিন্ন চিত্রও দেখা যাচ্ছে। কোনো কোনো পুলিশ সদস্যের সঙ্গে অপরাধীদের ঘনিষ্ঠতার বিষয়ও আলোচনায় এসেছে।

রাড্ডা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার পর সেখানে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অসাধু নেতাকর্মীদের সঙ্গে থানা পুলিশের যোগসাজশের অভিযোগও সামনে এসেছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে গতকাল শাহ আলী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলমকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আদাবরে বাড়ি দখলের ঘটনায় পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

‘অশনিসংকেত’ বলছে টিআইবি

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লুটপাট ও ভাঙচুর এবং ইসিবি চত্বরে কনটেন্ট ক্রিয়েটরের কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংস্থাটি ঘটনাগুলোকে বিচ্ছিন্ন বিষয় হিসেবে না দেখে সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের জন্য ‘অশনিসংকেত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহির আওতায় আনা এবং সারাদেশে দলের আত্মশুদ্ধির উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

‘শঙ্কাহীন চিত্তে অপরাধীরা একের পর এক ঘটনায় জড়াবে’

মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন বলেন, দখল, হামলা, সংঘবদ্ধভাবে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা দেখা যাচ্ছে। এসব দেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে—এ কথা বলার সুযোগ কম।

কোথাও কোথাও এসব ঘটনায় সরকারি দলের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতার বিষয় উঠে আসছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

নূর খান লিটন বলেন, জড়িতদের বিরুদ্ধে শক্ত বার্তা দিতে ব্যর্থ হলে মানুষের অধিকার লঙ্ঘিত হবে। পরিস্থিতি বন্ধ করতে দুটি দিকে পদক্ষেপ প্রয়োজন—একটি হলো আইনের যথাযথ প্রয়োগ, অন্যটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে শক্ত শৃঙ্খলার চর্চা।

তিনি বলেন, এটা করতে না পারলে শঙ্কাহীন চিত্তে অপরাধীরা একের পর এক ঘটনায় জড়াবে। একই জায়গায় একাধিকবার হামলার ঘটনাও ঘটছে। অপরাধীরা যে ভয়ডরহীন—এটি তারই ইঙ্গিত।

নূর খান লিটন আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তখনই নিষ্ক্রিয় দেখা যায়, যখন তারা মনে করে অপরাধীদের সঙ্গে প্রভাবশালী লোকজন রয়েছে। তখন তারা বেপরোয়া হয়ে ওঠে।

‘প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত’

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক মুহাম্মদ নুরুল হুদা বলেন, যেসব ঘটনা ঘটছে, সেগুলোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি বলেন, এসব ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কিছু সদস্যের সঙ্গে কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতার সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ অনেকে করতে পারেন। এ জন্য প্রয়োজন নিরপেক্ষ তদন্ত। অপরাধী যারাই হোক, তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পারলে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পাবে।

‘পুলিশ সদস্যদের গাফিলতি থাকলে ব্যবস্থা’

পুলিশ সদরদপ্তরের মুখপাত্র এআইজি এএইচএম শাহাদাত হোসাইন বলেন, ঢাকায় যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সেগুলোর সঙ্গে পূর্ববিরোধ ছিল। জমির দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করেই এসব ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন, যারা শক্তি প্রদর্শন করতে গেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ সদস্যদের কোনো গাফিলতি থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে শাহ আলী থানার ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

আদাবরসহ অন্য ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের শৈথিল্য থাকলে তা শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

রাড্ডায় পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ

ঢাকার চারটি ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, প্রতিটি ঘটনাতেই দলবদ্ধভাবে হামলা হয়েছে।

রাড্ডার ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। কয়েক ঘণ্টা ধরে সেখানে দেড় থেকে দুই শতাধিক ব্যক্তি হামলা চালিয়ে একটি পাকা ও তিনটি আধাপাকা ভবন গুঁড়িয়ে দেয়। ঘটনা জানার অনেক পরে সেখানে পুলিশ পৌঁছালেও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

রাড্ডার ১০ কাঠা জমি দখলকে কেন্দ্র করেই এ হামলা হয়েছে বলে মামলার তথ্য ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে উঠে এসেছে। ঘটনাস্থলে নেওয়া হয়েছিল এক্সক্যাভেটর। দীর্ঘ সময় হামলা ও লুটপাটের পর দখলকারীদের পক্ষ থেকে ‘সমমনা দোকানদার সমবায় সমিতি’-র সাইনবোর্ড টানিয়ে দেওয়ার ঘটনা এটিকে পরিকল্পিত হামলা হিসেবে দেখার কারণ তৈরি করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এত অল্প সময়ে এমন আয়োজন করা সম্ভব নয়—এমন মতও রয়েছে।

রাড্ডার ঘটনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসি আহমেদ মিষ্টি ও তাঁর অনুসারীদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে এসেছে। তবে ফেরদৌসি আহমেদ সমকালের কাছে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

আদাবরে অস্ত্র হাতে বাড়ি দখলের চেষ্টা

শনিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আদাবরে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল একটি বাড়ির সামনে আসে। কিছুক্ষণ বাড়িটি পর্যবেক্ষণের পর চারজন মূল ফটকের সামনে এগিয়ে যায়।

তাদের মধ্যে দুজনের হাতে চাপাতি এবং একজনের হাতে রামদা ছিল। ফটকের কিছুটা দূরে পিস্তল হাতে আরেকজন দাঁড়িয়ে ছিল। সে-ই হামলার নির্দেশনা দিচ্ছিল বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে।

বাড়ির মালিক আমিনুর রহমান খানের ভাতিজা মনির হোসেন বলেন, হামলাকারীরা প্রথমে বাড়ির মূল ফটক খুলে সবাইকে বের হয়ে যেতে বলে। ভেতর থেকে কেউ বের না হওয়ায় তারা বাইরে থেকে ‘টাকা দে, বাড়িতে থাকিস, টাকা দিস না? বের হ’ বলে হুমকি দিতে থাকে।

একপর্যায়ে চাপাতি ও রামদা দিয়ে গেটে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে তারা। ৯৯৯-এ ফোন করার প্রায় তিন ঘণ্টা পর পুলিশ সেখানে যায় বলে জানান তিনি।

সাম্প্রতিক আরও কিছু ঘটনা

রাজধানীর বাইরে বিভিন্ন এলাকাতেও দলবদ্ধ হামলা, দখল ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

হবিগঞ্জের বাহুবল বাজারের পুরাতন হাসপাতাল সড়কে গতকাল দুপুরে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক স্ট্যান্ড দখল এবং আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উপজেলা বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। উপজেলার পূর্ব অষ্টগ্রামের আখড়াবাজার এলাকায় এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হন।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিলমাকশা জলমহালের ভোগদখল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাঈদ আহমদ ও সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম শাহিনের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরেই দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে বলে সূত্রের দাবি।

এ ছাড়া গত ১৮ সেপ্টেম্বর পাবনা সদরে ১০ বছর বয়সী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার প্রধান আসামির বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। টানা কয়েক দিন ওই বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।

প্রশ্ন এখন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে

রাজধানীর চারটি ঘটনায় সময়ের ব্যবধান কম, হামলাকারীরা দলবদ্ধ এবং একাধিক ঘটনায় অস্ত্রের ব্যবহার বা অস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে। কোথাও জমি, কোথাও বাড়ি, কোথাও প্রতিষ্ঠান—বিরোধের ধরন আলাদা হলেও হামলার ধরন ও দলবদ্ধতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব ঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, পুলিশের গাফিলতি থাকলে জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং রাজনৈতিক বা প্রভাবশালী পরিচয় নির্বিশেষে আইন প্রয়োগ করা গেলে জনমনে তৈরি হওয়া নিরাপত্তাহীনতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।