কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, চেকের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতা এবং প্রতারণার পৃথক মামলায় কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, কোনো কোনো আসামিকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানা এবং চেকে উল্লেখিত অর্থ নালিশকারীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা পারভেজের আদালত এসব দণ্ডাদেশ দেন।
আদালতের আদেশে, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(ক) ধারায় মো. ইসমাইল হোসেন স্বপনকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁকে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
অন্যদিকে, The Negotiable Instruments Act, 1881-এর ১৩৮ ধারার মামলায় ফেন্সি নামের এক আসামিকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে চেকে উল্লেখিত ৯৮ হাজার টাকা নালিশকারীকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় প্রতারণার মামলায় ফিরোজ আল মামুন ওরফে জং, মো. শওকত উল্লাহ সাগর ওরফে সাখাওয়াত এবং শ্রী সমির কুমার রায়কে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৩ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাঁদের আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
একই আইনের ১৩৮ ধারায় আরেকটি মামলায় মো. আতিকুর রহমানকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চেকে উল্লেখিত ২ লাখ ৯৭ হাজার ১৯২ টাকা নালিশকারীকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের এসব আদেশে মাদক, প্রতারণা ও চেকসংক্রান্ত মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা এবং আর্থিক দায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
