চ্যালেঞ্জ জয় করে স্থানীয় উদ্যোগ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে—মজিবর রহমানের হাত ধরে শিল্পায়নের নতুন দিগন্ত। ছবি: সমতল মাতৃভূমি
বাংলাদেশের তার ও কেবলশিল্পের পরিচিত নাম বিআরবি কেবলস। কুষ্টিয়ার মাটিতে একটি স্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে সময়ের পরিক্রমায় দেশীয় শিল্পের অন্যতম পরিচিত নাম হয়ে উঠেছে বিআরবি গ্রুপ। উদ্যোক্তা আলহাজ মো. মজিবর রহমানের দূরদর্শিতা, সাহসী সিদ্ধান্ত, শ্রম ও অধ্যবসায়ের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা এই শিল্পপ্রতিষ্ঠান আজ দেশের বৈদ্যুতিক অবকাঠামো, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্ণ করছে বিআরবি কেবলস। কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীতে ছোট পরিসরে শুরু হওয়া এই উদ্যোগের বিস্তৃতি এখন একাধিক শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে। স্থানীয় উদ্যোগ থেকে বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীতে উত্তরণের এই পথচলা কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের গল্প নয়, বরং শিল্পায়নে পিছিয়ে থাকা কুষ্টিয়ার অর্থনৈতিক পরিবর্তনেরও এক উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।
চ্যালেঞ্জ নেওয়া কারিগর মজিবর রহমান
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের বাজারেও বাংলাদেশের শিল্পপণ্যের পরিচিতি বাড়িয়েছে বিআরবি কেবলস। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আলহাজ মো. মজিবর রহমান চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করেন। সততা, পরিশ্রম, ব্যবসায়িক দক্ষতা ও মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ককে পুঁজি করে তিনি একের পর এক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন। তাঁর হাত ধরেই কুষ্টিয়ায় গড়ে উঠেছে একাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সৃষ্টি হয়েছে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ।
কুষ্টিয়ার একটি সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারে বেড়ে ওঠা মজিবর রহমান ছোটবেলা থেকেই ব্যবসা-বাণিজ্য ও হিসাব-নিকাশের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি ব্যবসাকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন। স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন—প্রতিটি পর্যায়েই তাঁর উদ্যোগ ও পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
১৯৭৮ সালে কুষ্টিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির নামের সঙ্গে বজলার রহমান অ্যান্ড ব্রাদার্সের পরিচিতিও যুক্ত। শুরুতে দেশীয় বাজারে বৈদ্যুতিক তার ও কেবলের চাহিদা পূরণই ছিল মূল লক্ষ্য। ধীরে ধীরে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন এবং নতুন পণ্য উৎপাদনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশের শিল্প খাতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে।
মজিবর রহমানের ব্যবসায়িক দর্শনের একটি দিক হলো, দেশের ভেতরে শিল্প ও উৎপাদনের ভিত্তি শক্তিশালী করা। তাঁর মতে, দেশে কিছু করা সম্ভব না হলে বিদেশে গিয়েও বড় কিছু করা সহজ নয়। এই চিন্তা থেকেই স্থানীয়ভাবে উৎপাদন, কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে চলেছে বিআরবি গ্রুপ।
১৯৭৮ সালের ২৩ অক্টোবর যাত্রা, বাণিজ্যিক উৎপাদন ১৯৮০ সালে
১৯৭৮ সালের ২৩ অক্টোবর কুষ্টিয়া শহর থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দক্ষিণে বিসিক শিল্পনগরীতে প্রতিষ্ঠিত হয় বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮০ সালের ২৩ জানুয়ারি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়। দেশীয় বাজারে বৈদ্যুতিক তার ও কেবলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে।
শুরুর পর থেকেই আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও কারখানা সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে থাকে বিআরবি। নব্বইয়ের দশকে প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পর ২০০০ সালের দিকে উচ্চচাপের বিদ্যুৎ সঞ্চালনে ব্যবহৃত কেবলসহ নতুন পণ্য উৎপাদনে যুক্ত হয় প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তী সময়ে টেলিফোন, অপটিক্যাল ফাইবার ও জাহাজে ব্যবহারের উপযোগী মেরিন কেবল উৎপাদনেও সক্ষমতা অর্জন করে।
১৯৯৫ সালে কোম্পানির সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে বিআরবি কেবলস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপন করা হয়। উৎপাদন ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানোর এই উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানটির শিল্পযাত্রায় নতুন মাত্রা যোগ করে।
বর্তমানে বিআরবির উৎপাদিত কেবল বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা, রেলওয়ে, বন্দর, শিল্পকারখানা ও আবাসন প্রকল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে। দেশের বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ অবকাঠামোর বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার ও কেবলের চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের কেবলশিল্পের পরিচিতি বাড়াতে বিআরবি কাজ করছে।
একটি কেবল কারখানা থেকে ১২ প্রতিষ্ঠানের শিল্পগোষ্ঠী
১৯৭৮ সালে শুরু হওয়া বিআরবি গ্রুপের কার্যক্রম সময়ের সঙ্গে বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে গ্রুপটির আওতায় ১২টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং এসব প্রতিষ্ঠানে ছয় হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত বলে সংশ্লিষ্ট তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
গ্রুপের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ, কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ, এমআরএস ইন্ডাস্ট্রিজ, বিআরবি পলিমার, বিআরবি সিকিউরিটিজ, টিপিটি কেবলস, লাভলী হাউজিং, কিয়াম সিরাতুন্নেসা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট, বিআরবি এনার্জি, বিআরবি এয়ার, বিআরবি ট্রাভেলস এবং গ্যাস্ট্রো লিভার হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট লিমিটেড।
বৈদ্যুতিক তার ও কেবলের পাশাপাশি ধাতব পণ্য, প্রকৌশল, ঢালাই, প্লাইউড, মেলামাইন বোর্ড, পলিমার, ফ্যান, বিদ্যুৎ উৎপাদন, আবাসন, ভ্রমণ ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে গ্রুপটির কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে।
১৯৯০ সালে কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীতে আন্তর্জাতিক মানের ধাতব পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে কিয়াম মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন মজিবর রহমান। ১৯৯২ সালে একই এলাকায় এমআরএস ইন্ডাস্ট্রিজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রকৌশল, ঢালাই, প্লাইউড ও মেলামাইন বোর্ড উৎপাদনে যুক্ত হয় গ্রুপটি।
কৃষিপ্রধান দেশের সেচব্যবস্থা উন্নত করার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিআরবি পলিমার লিমিটেড। কৃষি উৎপাদন ও বিভিন্ন শিল্পের প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
২০০৯ সালে নতুন প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক ফ্যান উৎপাদন শুরু করে গ্রুপটি। লাভলী ফ্যান নামে বাজারজাত করা এই পণ্য অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের কাছে পরিচিতি লাভ করে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, টেকসই ও মজবুত হওয়ায় লাভলী ফ্যান বাজারে সুনাম অর্জন করেছে।
মেরিন কেবল ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন অধ্যায়
বিআরবি কেবলসের শিল্পযাত্রায় মেরিন কেবল উৎপাদন একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। ২০১১ সালে জাহাজে ব্যবহারের উপযোগী কেবল উৎপাদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নতুন বাজারে প্রবেশ করে। এ উদ্যোগের মধ্য দিয়ে দেশীয় কেবলশিল্পে পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ে।
শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০০৯ সালে বিসিক শিল্পনগরীর বিআরবি চত্বরে প্রতিষ্ঠা করা হয় বিআরবি এনার্জি লিমিটেড। নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা গ্রুপের শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করেছে।
এ ছাড়া ২০১১ সালে বিসিক শিল্পনগরীর প্রধান সড়কে এমআরএস ইন্ডাস্ট্রিজের ফিলিং স্টেশন স্থাপন করা হয়। কুষ্টিয়া শহরের নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা সড়কে ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ১০ তলাবিশিষ্ট বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স লাভলী টাওয়ার। শিল্পের পাশাপাশি বাণিজ্যিক ও সেবামূলক খাতেও গ্রুপটির বিস্তৃতির প্রতিফলন এসব উদ্যোগ।
শিল্পায়নে বদলে যাচ্ছে কুষ্টিয়ার অর্থনীতি
জাতীয় অর্থনীতিতে অবদানের পাশাপাশি কুষ্টিয়ার শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিআরবি গ্রুপের ভূমিকা স্থানীয়ভাবে আলোচিত। একসময় জেলার বড় কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত মোহিনী মিল বন্ধ হয়ে যায়। কুষ্টিয়া টেক্সটাইল মিলের অবস্থাও দুর্বল হয়ে পড়ায় জেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।
এমন পরিস্থিতিতে নতুন শিল্পকারখানা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন মজিবর রহমান। নানা ঝুঁকি ও প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে বিসিক শিল্পনগরীতে বিআরবি কেবলস প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে শুরু হয় নতুন শিল্পযাত্রা। পরবর্তী সময়ে একাধিক কারখানা গড়ে ওঠায় স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ে এবং কুষ্টিয়ার শিল্পভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসে।
কুষ্টিয়ায় শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির ঐতিহ্য থাকলেও শিল্পায়নের ইতিহাস তুলনামূলকভাবে সীমিত—এমন মন্তব্য করেছেন দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি হাজি মো. রবিউল ইসলাম। তাঁর ভাষ্য, মোহিনী মিল প্রতিষ্ঠার পর এ অঞ্চলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক পরিবর্তন এসেছিল। পরবর্তী সময়ে বিআরবি গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়ার শিল্পায়নে নতুন অবদান রেখেছে।
দি কুষ্টিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সহসভাপতি ও ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি এস এম কাদেরী শাকিল বলেন, ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় বড় শিল্পগোষ্ঠী রয়েছে। এর মধ্যেও কুষ্টিয়ার মতো মফস্বল এলাকা থেকে ব্যবসা পরিচালনা করে বিআরবি গ্রুপ জাতীয় পর্যায়ে সম্মান অর্জন করেছে।
তিনি বলেন, জেলার বেকারত্ব দূরীকরণে মজিবর রহমানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিআরবি গ্রুপের কারণে শুধু কুষ্টিয়াবাসী নয়, বাংলাদেশও গর্ববোধ করে।
শিক্ষা ও সমাজকল্যাণেও উদ্যোগ
শিল্প ও ব্যবসার পাশাপাশি সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমেও যুক্ত রয়েছে বিআরবি গ্রুপ। মজিবর রহমান কিয়াম সিরাতুন্নেসা মেমোরিয়াল ট্রাস্ট গঠন করে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ধর্মীয় ও আধুনিক শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছেন।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, কর্মসংস্থান ও সামাজিক উদ্যোগের সমন্বয়ে কুষ্টিয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের একটি বিস্তৃত পরিসর গড়ে উঠেছে। এ ধারাবাহিকতা স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
৪৮ বছরের পথচলা: স্থানীয় উদ্যোগের আন্তর্জাতিক সম্ভাবনা
কুষ্টিয়ার বিসিক শিল্পনগরীতে প্রতিষ্ঠিত একটি কেবল কারখানা থেকে ১২টি প্রতিষ্ঠানের শিল্পগোষ্ঠীতে পরিণত হওয়া বিআরবি গ্রুপের ৪৮ বছরের যাত্রা বাংলাদেশের দেশীয় শিল্পবিকাশের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ। উৎপাদন সম্প্রসারণ, নতুন পণ্য সংযোজন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে।
২০২৬ সালের ২৩ অক্টোবর প্রতিষ্ঠার ৪৮ বছর পূর্ণ করছে বিআরবি কেবলস। এই দীর্ঘ যাত্রায় কুষ্টিয়ার শিল্পায়নে অবদান রাখার পাশাপাশি দেশের বৈদ্যুতিক অবকাঠামো ও উৎপাদনশীল খাতের চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় উদ্যোগ, সাহসী বিনিয়োগ ও শিল্পের প্রতি দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার—এই তিনের সমন্বয়ে বিআরবি কেবলসের পথচলা কুষ্টিয়ার মাটি থেকে দেশীয় শিল্পের বিস্তৃত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে।
