মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অদৃশ্য শক্তির সুপারিশে ৬১ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পেছনে ফেলে ৩৪ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পিডি হাসান মাহমুদ?

স্টাফ রিপোর্টার
সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬ ১০:১২ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তার হাতে মেগা প্রকল্পের দায়িত্ব, নিয়োগ ঘিরে প্রশাসনিক অঙ্গনে তোলপাড়। ফাইল ফটো

দেশের পানি অবকাঠামো খাতের অন্যতম বৃহৎ ও উচ্চাভিলাষী উদ্যোগ ‘পদ্মা ব্যারেজ (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প। প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা সরকারি অর্থায়নে নেওয়া এই মেগা প্রকল্পের লক্ষ্য দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, নদী পুনরুজ্জীবন এবং ভয়াবহ লবণাক্ততা মোকাবিলা।

গত ১৩ মে ২০২৬ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে জুলাই ২০২৬ থেকে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত। প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (বাপাউবো)।

কিন্তু প্রকল্পের কাজ শুরুর আগেই এর প্রকল্প পরিচালক (পিডি) নিয়োগ নিয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রশাসনিক ও নৈতিক বিতর্ক।

গত ২৭ আগস্ট পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন-২ শাখার এক অফিস আদেশে—যার স্বাক্ষরকারী উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুর রহিম রিপন—ফেনী পানি উন্নয়ন সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হাসান মাহমুদকে নিজ দায়িত্বের পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

৩৪ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের এমন একটি মেগা প্রকল্পে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র একজন কর্মকর্তাকে পিডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠেছে—কার সুপারিশে, কোন প্রক্রিয়ায় এবং কী বিবেচনায় ৬১ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পেছনে ফেলে হাসান মাহমুদকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হলো?

৬১ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পেছনে ফেলে নিয়োগ

বাপাউবোর সিভিল ক্যাডারের সর্বশেষ পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা তালিকা অনুযায়ী, হাসান মাহমুদের অবস্থান ৬২ নম্বরে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে দাবি করা হয়েছে। অর্থাৎ তাঁর ওপরে পদ, গ্রেড ও অভিজ্ঞতায় অন্তত ৬১ জন কর্মকর্তা রয়েছেন।

অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, এত বড় একটি মেগা প্রকল্পের পিডি পদে দায়িত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা, গ্রেড, অভিজ্ঞতা ও প্রকল্পের ধরন—এসব বিষয় কীভাবে বিবেচনা করা হয়েছে?

সংশ্লিষ্টদের দাবি, প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপিতে পিডি পদের জন্য যে গ্রেড ও যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়েছে, তার সঙ্গে বর্তমান পিডির পদমর্যাদার সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, সেটিও প্রকাশ্যে পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

হাসান মাহমুদ বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। ফলে দ্বিতীয় বা তৃতীয় গ্রেডের কর্মকর্তাদের পেছনে ফেলে তাঁকে এত বড় প্রকল্পের পিডি হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার প্রশাসনিক ভিত্তি কী—এ প্রশ্ন এখন বাপাউবোর ভেতরেই জোরালো হয়ে উঠেছে।

রাজনৈতিক পরিচয় ও অতীতের প্রভাববলয় নিয়েও প্রশ্ন

হাসান মাহমুদের নিয়োগের পর তাঁর অতীতের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, প্রশাসনিক যোগাযোগ ও ক্ষমতাবলয় নিয়েও নানা অভিযোগ সামনে এসেছে।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের পদে থাকার অভিযোগ

অভিযোগ রয়েছে, বাপাউবোর ‘বঙ্গবন্ধু পরিষদ’-এর ২০২২–২৪ মেয়াদের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটিতে ৭ নম্বর নির্বাহী সদস্য হিসেবে হাসান মাহমুদের নাম ছিল।

যদিও হাসান মাহমুদ ব্যক্তিগতভাবে এমন রাজনৈতিক পরিচয় অস্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে, তবুও তাঁর অতীত রাজনৈতিক যোগাযোগ ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাবেক এমপির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিতির অভিযোগ

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোলা পানি উন্নয়ন বিভাগ-২ (চরফ্যাশন)-এর নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাসান মাহমুদ।

স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময়ে সাবেক এমপি আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকবের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। এমনকি চরফ্যাশন ও মনপুরায় বাপাউবোর বিভিন্ন ঠিকাদারি কাজ থেকে কমিশন আদায়ে তিনি সাবেক এমপির ঘনিষ্ঠ সহযোগী বা ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে ভূমিকা রাখতেন—এমন অভিযোগও রয়েছে।

এছাড়া সাবেক পানি সম্পদ সচিব কবির বিন আনোয়ারের ঘনিষ্ঠ বলয়ের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।

২০০৭ সালের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) থেকে পাস করে ২০০৭ সালে বাপাউবোতে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন হাসান মাহমুদ।

তাঁর নিয়োগ নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ দাবি করছেন, নিয়োগ পরীক্ষায় তাঁর অবস্থান ছিল ৫০-এর পর। পরে কোটা-সংক্রান্ত প্রশাসনিক সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি নিয়োগ পান—এমন অভিযোগও রয়েছে।

তবে এ অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে ২০০৭ সালের নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল, মেধাক্রম ও কোটা-সংক্রান্ত সরকারি নথি প্রকাশ করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বগুড়ায় দায়িত্ব পালনের সময় কাজ বণ্টন নিয়ে গুরুতর অভিযোগ

২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বগুড়া পানি উন্নয়ন বিভাগে নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হাসান মাহমুদ।

ওই সময় তাঁর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং পছন্দের ঠিকাদারকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, নিয়মকানুন উপেক্ষা করে ‘পারফরম্যান্স ট্রেড সিস্টেম’ এবং পরবর্তীতে গঠিত নতুন লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান ‘TTSL’-কে RFQ (কোটেশন) ও DPM (সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি)-এর সিংহভাগ কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়।

এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ওই সময়ের কার্যাদেশ, কোটেশন, DPM নথি, বিল-ভাউচার ও অর্থ পরিশোধের রেকর্ড পরীক্ষা করা জরুরি।

বিদেশে অর্থ পাচার ও বেনামি বিনিয়োগের অভিযোগ

হাসান মাহমুদের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে—ঘনিষ্ঠ ঠিকাদার আব্দুর রাজ্জাকের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ যুক্তরাষ্ট্রে পাচার ও বিনিয়োগের।

এছাড়া ঢাকার বসিলার ‘মধু সিটি’ এলাকায় তাঁর বেনামে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো নির্ভরযোগ্য তদন্ত প্রতিবেদন বা আদালতের সিদ্ধান্ত প্রতিবেদকের হাতে নেই। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট আর্থিক নথি, সম্পদ বিবরণী ও বৈধ আয়-ব্যয়ের তথ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

সংবাদ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগও সামনে

তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ এবং সাংবাদিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, ঢাকার সেন্ট্রালসিটি-ভিত্তিক একটি অনলাইন পোর্টালকে নিজের প্রভাববলয়ের অংশ হিসেবে ব্যবহার করে তাঁর বিরুদ্ধে প্রকাশিত অনিয়মের খবর সরিয়ে ফেলা বা অর্থের বিনিময়ে সংবাদ ‘ডিলিট’ করানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

এসব অভিযোগের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রকাশনা, সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের বক্তব্য এবং কথিত আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ যাচাই করা প্রয়োজন।

তাহলে কার সুপারিশে হাসান মাহমুদ?

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পিডি নিয়োগের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে নিয়োগের নেপথ্যের সুপারিশ ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।

বাপাউবোর অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, উত্তরাঞ্চলের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর পরোক্ষ ইঙ্গিত এবং প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের বিশেষ তদবিরের মাধ্যমে হাসান মাহমুদকে এই পদে বসানো হয়েছে।

অভিযোগের আঙুল উঠেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. এনামুল, পানি সম্পদ সচিব মো. শাহাবুদ্দিন এবং বাপাউবোর মহাপরিচালক (ডিজি) মো. রুহুল আমিনের দিকে।

অভিযোগকারীদের দাবি, মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের এই প্রশাসনিক বলয়ের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থনেই জ্যেষ্ঠতা ও পদমর্যাদার প্রশ্ন উপেক্ষা করে হাসান মাহমুদকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পিডি করা হয়েছে।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার মতো স্বাধীন প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে নেই। ফলে পিডি নিয়োগের নোটশিট, অনুমোদন ও সুপারিশের নথি প্রকাশ করলেই প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট হতে পারে।

দুদকের অভিযোগ ধামাচাপার অভিযোগ

হাসান মাহমুদের বিরুদ্ধে অতীতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) একাধিক অভিযোগ জমা পড়েছিল এবং রাজনৈতিক প্রভাবে সেগুলো ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল—এমন দাবিও রয়েছে।

যদি এমন অভিযোগ সত্য হয়ে থাকে, তাহলে দুদকে জমা দেওয়া অভিযোগগুলোর বর্তমান অবস্থা, অনুসন্ধান বা তদন্তের কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছিল কি না—তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা প্রয়োজন।

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে যে নথিগুলো প্রকাশ জরুরি

৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকারও বেশি সরকারি অর্থের এই মেগা প্রকল্পে পিডি নিয়োগ নিয়ে বিতর্কের অবসানে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশের দাবি উঠেছে।

এর মধ্যে রয়েছে—

প্রকল্পের অনুমোদিত ডিপিপি ও জনবল কাঠামো, যেখানে পিডি পদের নির্ধারিত গ্রেড ও যোগ্যতা উল্লেখ রয়েছে।

পিডি নিয়োগ সংক্রান্ত নোটশিট, প্রশাসনিক অনুমোদন ও সুপারিশের কপি।

বাপাউবোর সিভিল ক্যাডারের হালনাগাদ জ্যেষ্ঠতা তালিকা।

নিয়োগের সময় বিবেচনায় থাকা জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের তালিকা ও তাঁদের বাদ দেওয়ার কারণ।

২০০৭ সালের হাসান মাহমুদের নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল, মেধাক্রম ও কোটা-সংক্রান্ত নথি।

২০১৭–২০১৯ মেয়াদে বগুড়া বিভাগের RFQ/DPM কার্যাদেশ, দরপত্র ও বিল পরিশোধের রেকর্ড।

২০১৯–২০২৪ মেয়াদে চরফ্যাশন বিভাগের টেন্ডার ফাইল ও ঠিকাদারি কাজের তালিকা।

হাসান মাহমুদের পূর্ণাঙ্গ সার্ভিস রেকর্ড;

তাঁর বিরুদ্ধে দুদক বা বিভাগীয় কোনো তদন্ত হয়ে থাকলে তার বর্তমান অবস্থা ও নিষ্পত্তির নথি।

মেগা প্রকল্পে জবাবদিহিতাই এখন বড় প্রশ্ন

পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প শুধু একটি অবকাঠামো প্রকল্প নয়—দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানি ব্যবস্থাপনা, কৃষি, পরিবেশ ও লবণাক্ততা মোকাবিলার সঙ্গে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব জড়িত।

তাই এত বড় অঙ্কের সরকারি অর্থের প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, জ্যেষ্ঠতা, স্বচ্ছতা ও প্রশাসনিক বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে কি না—তা এখনই পরিষ্কার করা জরুরি।

প্রশ্ন উঠছে, ৬১ জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে পেছনে ফেলে চতুর্থ গ্রেডের একজন কর্মকর্তাকে কেন এই দায়িত্ব দেওয়া হলো? কার সুপারিশ ছিল? কোন নথি ও কোন প্রশাসনিক যুক্তির ভিত্তিতে সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে?

এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে তদন্ত নয় শুধু, নিয়োগ-সংক্রান্ত নথি জনসমক্ষে প্রকাশ এবং প্রয়োজন হলে স্বাধীন প্রশাসনিক ও আর্থিক যাচাই জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাসান মাহমুদের বক্তব্য

এসব অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য ও অবস্থান জানতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রকৌশলী হাসান মাহমুদের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে। বিস্তারিত থাকছে পরবর্তী প্রতিবেদনে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
বিশেষ খবর সর্বশেষ