মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ থেকে নব্য জাতীয়তাবাদী সওজের আবু হেনা তারেক ইকবাল

স্টাফ রিপোর্টার
সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬ ১১:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পদোন্নতি-পোস্টিং থেকে টেন্ডার বাণিজ্য, অবৈধ সম্পদের অভিযোগ; রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে বদলে গেল পরিচয়?। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সড়ক-মহাসড়কে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে বলে দাবি করা হলেও, ২০২৪ সালে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর গবেষণায় এ খাতে ২৯ হাজার ২৩০ কোটি থেকে ৫০ হাজার ৮৩৫ কোটি টাকা পর্যন্ত দুর্নীতির অভিযোগের চিত্র উঠে আসে। আওয়ামী লীগের প্রায় ১৫ বছরের শাসনামলে দীর্ঘ সময় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হিসেবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) ওপর রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ছিল তৎকালীন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে ঘিরে। অভিযোগ রয়েছে, সেই সময় রাজনৈতিক প্রভাবের ছায়ায় সওজের একাধিক কর্মকর্তা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে সুবিধা নিয়েছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে গেলেও অভিযোগের মুখে থাকা অনেক কর্মকর্তা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের কেউ কেউ রাজনৈতিক পরিচয়ও পাল্টে নতুন রাজনৈতিক বলয়ে নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছেন। এমনই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের কুমিল্লা সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মো. তারেক ইকবাল।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে আবু হেনা তারেক ইকবালকে ঘিরে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার বিরুদ্ধে কয়েকজন ঠিকাদার তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কাছে একাধিক অভিযোগ দিয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলেও তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তিনি এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন।

সম্প্রতি সওজের একজন ঠিকাদার গণমাধ্যমে পাঠানো অভিযোগে আবু হেনা তারেক ইকবালকে নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন। অভিযোগের শিরোনামেই তাকে বলা হয়েছে—‘ওবায়দুল কাদেরের বিশেষ স্নেহধন্য আবু হেনা তারেক ইকবাল এখন নব্য জাতীয়তাবাদী’। একই সঙ্গে তার অতীত রাজনৈতিক যোগাযোগ, পোস্টিং-পদোন্নতি, টেন্ডার ও আর্থিক অনিয়মের নানা অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মোমারিজপুর গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে আবু হেনা তারেক ইকবাল ১৯৯৯ সালে ১৮তম বিসিএসের মাধ্যমে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন।

অভিযোগের দীর্ঘ তালিকা

অভিযোগে বলা হয়েছে, কর্মজীবনের প্রায় ২৭ বছরে যখন যে সরকার ক্ষমতায় এসেছে, তখন সেই সরকারের প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন আবু হেনা তারেক ইকবাল। তবে সবচেয়ে বেশি সুবিধা তিনি পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে—এমন দাবি করা হয়েছে অভিযোগে।

আওয়ামী লীগের একাধিক এমপি, মন্ত্রী ও রাজনৈতিক নেতার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল এবং সেই রাজনৈতিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ডিভিশনে পোস্টিং নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

১৯৯৯ সালে চাকরিতে যোগদানের সময় থেকেই তিনি তৎকালীন আওয়ামীপন্থী আইইবি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তৎকালীন যোগাযোগমন্ত্রীর এলাকা চকরিয়া সড়ক উপবিভাগে তদবিরের মাধ্যমে পোস্টিং নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তখন নিজেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনুসারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে নানা কৌশল অবলম্বন করেছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

২০০৬ সালে আবারও বিভিন্ন মহলে তদবির করে ঢাকা সড়ক বিভাগের অধীনে কল্যাণপুর সড়ক উপবিভাগে যোগদান করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর ২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন-মঈনউদ্দীন সরকারের সময় ঢাকা-আশুলিয়া টোলের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তিনি সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি ও সরকারি সিদ্ধান্ত যাচাই করা প্রয়োজন।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিনি নিজেকে আওয়ামীপন্থী প্রকৌশলী হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন এবং বরখাস্তের ঘটনাটিও রাজনৈতিক কারণে হয়েছে বলে প্রচার করেছিলেন—এমন অভিযোগ রয়েছে।

ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠতা ও দ্রুত উত্থানের অভিযোগ

অভিযোগে বলা হয়েছে, ওবায়দুল কাদের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী হওয়ার পর আবু হেনা তারেক ইকবাল নিজেকে নতুনভাবে আওয়ামী ঘরানার কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে নোয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে পোস্টিং নিয়ে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিতি পান এবং ওবায়দুল কাদেরের বিশ্বস্ত কর্মকর্তা হিসেবে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন—এমন দাবি করা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইশ্রাতুন্নেসা কাদেরের কাছে বিভিন্ন উপহার-উপঢৌকন পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো নথি বা প্রমাণ অভিযোগের সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়নি।

নোয়াখালীর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর তদবিরের মাধ্যমে ঢাকা সার্কেলের অধীনে মুন্সিগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম, দুর্নীতি, কমিশন ও ঠিকাদার বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠার পরও শাস্তির পরিবর্তে তিনি একের পর এক পদোন্নতি পেয়েছেন—এমন দাবি অভিযোগকারীর।

ওবায়দুল কাদেরের ঘনিষ্ঠতার কারণেই তিনি চট্টগ্রাম সড়ক সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি পান বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

এরপর রাজনৈতিক তদবিরের মাধ্যমে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে পদোন্নতি নিয়ে বরিশাল সড়ক জোনে যোগদান করেন। সেখানে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে আরও প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন—এমন অভিযোগ রয়েছে।

পরবর্তীতে কুমিল্লা সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।

টেন্ডার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ

অভিযোগে বলা হয়েছে, কর্মস্থলে টেন্ডার বাণিজ্য ছিল অনেকটাই ‘ওপেন সিক্রেট’। ই-জিপি চালু হওয়ার পরও বিভিন্নভাবে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে কমিশন আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

লোকাল এমপি-মন্ত্রীদের প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতেন বলেও অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এমনকি আওয়ামী লীগ সরকারের পুরো সময়জুড়ে সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে মন্ত্রী-এমপিদের সর্বোচ্চ প্রটোকল দেওয়ার ক্ষেত্রে সবুজ উদ্দিন খান ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মো. তারেক ইকবাল প্রথম সারিতে ছিলেন—এমন অভিযোগও করা হয়েছে।

৫ আগস্টের পর ‘পরিচয় বদলের’ অভিযোগ

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আবু হেনা তারেক ইকবাল কিছুদিন ভয়ে নিয়মিত অফিস করেননি। পরে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ দিয়ে অতীতের কর্মকাণ্ড আড়াল করার চেষ্টা করেছেন—এমন গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে অভিযোগে নির্দিষ্ট অর্থের উৎস, লেনদেনের নথি বা স্বাধীন প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

অভিযোগকারীর দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার বিতর্কিত ভূমিকার পরও তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় বর্তমানে তিনি নিজেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অনুসারী হিসেবে তুলে ধরছেন।

বর্তমান বিএনপি সরকারের একজন প্রভাবশালী মন্ত্রীর নাম ব্যবহার করে নিজেকে তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে প্রচার করছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এমনকি ওই মন্ত্রীর প্রভাব কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রাম সড়ক জোনে পদায়নের জন্য তিনি ব্যাপক চেষ্টা করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে কয়েকজন ঠিকাদার ও সওজের বিএনপিপন্থী কর্মকর্তাদের আপত্তির কারণে সেই পদায়ন হয়নি—এমন দাবি করা হয়েছে অভিযোগে।

সম্পদ নিয়েও প্রশ্ন

অভিযোগের তালিকা এখানেই শেষ নয়। রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হুদার সঙ্গে আত্মীয়তার পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে আবু হেনা তারেক ইকবালের বিরুদ্ধে। রাজধানীতে একাধিক প্লট বরাদ্দ নেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঘুষ, দুর্নীতি, প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, কমিশন ও টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রাজধানীতে একাধিক প্লট, ফ্ল্যাট, দামি ব্যক্তিগত গাড়িসহ বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারীর দাবি, এসব সম্পদের বড় একটি অংশ আয়কর নথিতে প্রদর্শন করা হয়নি। তার টিআইএন এবং পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য যাচাই করলে কথিত সম্পদের প্রকৃত উৎস ও মালিকানা সম্পর্কে তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া আইনের চোখ এড়াতে স্ত্রী ফারজানা রহমান ভূঁইয়া, সন্তান ও বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের নামে কথিত বেনামি সম্পদ কেনার অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের ১/১২ পার্ক ভিউ ভবনের এ/১ নম্বর ফ্ল্যাটের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ফ্ল্যাটটির বর্তমান বাজারমূল্য কয়েক কোটি টাকা এবং সেটি ভাড়া দেওয়া হয়েছে। আবু হেনা তারেক ইকবাল বর্তমানে গুলশানে বসবাস করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তেই মিলতে পারে প্রকৃত চিত্র

সওজের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, আবু হেনা তারেক ইকবালের কর্মজীবনের প্রতিটি কর্মস্থলের পোস্টিং, পদোন্নতি, প্রকল্প, টেন্ডার, বিল, ঠিকাদারি কার্যক্রম এবং সম্পদের উৎস স্বাধীনভাবে তদন্ত করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব।

অভিযোগকারীরা দাবি করেছেন, ২০২৯ সালে তার অবসরের আগে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

তবে এসব অভিযোগের কোনোটি এখন পর্যন্ত আদালত বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারি নথি, সম্পদ বিবরণী, আয়কর রিটার্ন, পোস্টিং-পদোন্নতির নথি, টেন্ডার ও প্রকল্পসংক্রান্ত কাগজপত্র এবং আর্থিক লেনদেনের তথ্য পরীক্ষা করা জরুরি।

আবু হেনা তারেক ইকবালের বক্তব্য

অভিযোগের বিষয়ে জানতে কুমিল্লা সড়ক জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আবু হেনা মো. তারেক ইকবালের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পরে হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠানো হলে তিনি জবাবে বলেন, তাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

তার এই বক্তব্যের পর অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। ২য় পর্বে থাকছে

আবু হেনা তারেক ইকবালের কথিত অবৈধ অর্থ-সম্পদ, ফ্ল্যাট, প্লট, গাড়ি ও সম্পদের উৎস নিয়ে বিস্তারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
বিশেষ খবর সর্বশেষ