দৌলতপুর উপজেলার ফারাকপুর এলাকায় জমি লিজের বকেয়া টাকা ও জমি ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে মারধর, অবৈধভাবে আটকে রেখে নির্যাতন এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. মাদার আলী। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. মাদার আলী অভিযোগ করেন, ২০১৪ সালে তিনি স্থানীয় একটি জমি ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে লিজ দেন। কিন্তু নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অভিযুক্তরা জমির বকেয়া টাকা পরিশোধ কিংবা জমি ফেরত দেননি। তার দাবি, দীর্ঘ ১১ বছরে তার প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ১৫ জুলাই ২০২৬ সকালে পাওনা টাকা ও জমি ফেরত চাইতে গেলে অভিযুক্তরা তাকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে ৮ থেকে ১০ জন মিলে তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেন। পরে তাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে নির্যাতন করা হয় বলে তিনি দাবি করেন। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তিনি সেখান থেকে উদ্ধার হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, এ ঘটনায় তিনি দৌলতপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।
