ফাইল ছবি
ভুয়া ও জাল নথি ব্যবহার করে ব্র্যাক ব্যাংকের দনিয়া শাখা থেকে ১৫ লাখ টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কাজী আজাদ ও তার স্ত্রী খাদিজা খাতুন চাদনীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, ঋণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে ব্যাংকের রায়েরবাগ এসএমই বিভাগও সংশ্লিষ্ট ছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, কাজী আজাদ ঋণগ্রহীতা হিসেবে ১৫ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন। তার স্ত্রী খাদিজা খাতুন চাদনী ঋণের বিপরীতে গ্রান্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে ঋণের অর্থ গ্রহণের পর নির্ধারিত সময়ে তা পরিশোধ না করে বর্তমানে তারা দুবাইয়ে অবস্থান করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ঋণ অনুমোদনের আগে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র ও তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুয়া নথি কিংবা ভুল তথ্যের মাধ্যমে কীভাবে এত বড় অঙ্কের ঋণ অনুমোদিত হলো—এ নিয়েও উঠেছে নানা প্রশ্ন।
এ ঘটনায় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া এবং ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম হয়েছিল কি না, তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা।
তাদের ভাষ্য, বিষয়টি শুধু একটি ঋণ অনিয়মের অভিযোগ নয়; এর সঙ্গে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় নথি যাচাই ও ঋণ অনুমোদনের নিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িত। তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
তবে অভিযোগে উত্থাপিত বিষয়গুলোর স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা ও অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রতিবেদনে যথাযথভাবে সংযুক্ত করা হবে।
