ছবি : সংগৃহীত
দুদকের মামলায় উঠে এসেছে ৫৭ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ ও ২৩২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন।
দুর্নীতির মামলায় আসামি জাতীয় সংসদের সাবেক চিফ হুইপ ও মাদারীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৬ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পর ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর তদন্তের স্বার্থে নূর-ই-আলম চৌধুরীর ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত সব মূল আয়কর নথি জব্দের অনুমতি চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। পরে আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সাবেক এই চিফ হুইপের বিরুদ্ধে প্রায় ৫৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ২৩২ কোটি টাকার বেশি সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের অভিযোগে গত বছরের ২৫ মার্চ মামলা করে দুদক।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে নূর-ই-আলম চৌধুরী বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জন করে নিজের ভোগদখলে রেখেছেন।
একইসঙ্গে তার ব্যক্তি মালিকানাধীন ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত ৮টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২৩২ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার ২৪০ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। দুদকের ভাষ্য, এসব লেনদেন মানিলন্ডারিংয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।
দুদকের অনুসন্ধানে রাজধানীর উত্তরা, পূর্বাচল ও নিকুঞ্জ এলাকায় তার নামে জমি, ভবনসহ প্রায় ৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়া প্রায় ৪২ কোটি ৮১ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদেরও সন্ধান পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।
দুদকের অনুসন্ধানে রাজধানীর উত্তরা, পূর্বাচল ও নিকুঞ্জ এলাকায় তার নামে জমি, ভবনসহ প্রায় ৪ কোটি ২৯ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে। এছাড়া প্রায় ৪২ কোটি ৮১ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদেরও সন্ধান পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।
