কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ তেকালা পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা সামিরুল শাহ (৬২) হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে দৌলতপুর থানা পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামলার প্রধান সন্দেহভাজন মন্টু শেখকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার দুপুর ১২টার দিকে মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানার ইশিবপুর এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে দৌলতপুর থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলের নিকটবর্তী এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে, যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ আলামত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এদিকে নিহত সামিরুল শাহের ছেলে আবু সাইদ বাদী হয়ে দৌলতপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পরপরই তদন্তে নামে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে প্রধান সন্দেহভাজনকে শনাক্ত ও দ্রুত আটক করতে সক্ষম হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
হত্যাকাণ্ডের মাত্র একদিনের মধ্যেই প্রধান সন্দেহভাজনকে আটক এবং হত্যায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারের ঘটনাকে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, তদন্ত শেষে আটক ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হবে এবং তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
দৌলতপুর থানা পুলিশ আরও জানিয়েছে, সামিরুল শাহ হত্যা মামলার তদন্ত এখনো অব্যাহত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ব্যবসায়িক টাকা-পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে।
